• পরবাস : সংখ্যা ৮৬ : মন্তব্য / Comments
  • এই সংখ্যা নিয়ে মন্তব্য জমা দিন / Make a comment about this issue
  • (?)
  • সম্পাদকীয় : | সংখ্যা ৮৬ | April 2022
  • দীপঙ্কর চৌধুরী | কলকাতা | 2022-04-15
    একটি সত্যিকারের চিন্তাউদ্রেককারী সম্পাদকীয়!
  • অশোকযাত্রা : দিবাকর ভট্টাচার্য | সংখ্যা ৮৬ | April 2022
  • পাঠক | কলকাতা | 2022-04-15
    অনুগ্রহ করে লেখকের অন্যান্য রচনার সাথে এটিকেও যোগ করার লেখকনামের হাইপারলিংকটি আপডেট করে দিন।

    সম্পাদকের উত্তর: অনেক ধন্যবাদ ত্রুটিটি জানানোর জন্যে। এখন ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।
  • প্রিন্টেড ম্যাগাজিন বনাম ওয়েবজিন : আর্যা ভট্টাচার্য | সংখ্যা ৮৬ | April 2022
  • গান্ধর্বিকা ভট্টাচার্য | কলকাতা | 2022-05-24
    আর্যা ভট্টাচার্যের 'প্রিন্টেড ম্যাগাজিন বনাম ওয়েবজিন' নামক প্রবন্ধটি পড়লাম। খুবই ইন্টারেস্টিং বিষয় এবং তথ্যবহুল আলোচনা। পড়ে ভালো লাগল। লেখিকার কিছু বক্তব্যের সঙ্গে আমি একমত।

    তবে ব্যক্তিগত ভাবে বলতে গেলে আমি কাগজের ম্যাগাজিন আর ইলেকট্রনিক ম্যাগাজিনের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য পাই না। ভালো লেখা যে কোন মাধ্যমে পড়েই সমান আনন্দ পাই। লেখার সময়েও এটা ভেবে লিখি না যে কাগজের ম্যাগাজিনের জন্য লিখছি না ওয়েব-জিনের জন্য।

    তবে হ্যাঁ, দুয়ের মধ্যে একটা পার্থক্য নিশ্চয়ই উল্লেখযোগ্য। কাগজের ম্যাগাজিনে লেখা জমা দেওয়ার ঝামেলা অনেক। লেখার প্রিন্ট আউট বার করে পত্রিকার অফিসে নিয়ে যাওয়া, প্রায় দেড় দু’বছর উত্তরের অপেক্ষা করা, এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'চেনা মুখ' না হলে লেখা ছাপা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তুলনায় ইলেকট্রনিক ম্যাগাজিন অনেক বেশী নিরপেক্ষ বলে আমার মনে হয়। ই-মেইলে লেখা জমা দেওয়ার পদ্ধতিও অনেক বেশী ঝাড়া ঝাপটা। যাঁরা অন্য পেশায় আছেন, কিন্তু লেখালেখির শখ আছে, তাঁদের পক্ষে ইলেকট্রনিক ম্যাগাজিনই বেশী সুবিধাজনক মাধ্যম বলে আমার মনে হয়।
    শুভময় রায় | কলকাতা | 2022-05-20
    আর্যা ভট্টাচার্যের ‘প্রিন্টেড ম্যাগাজিন বনাম ওয়েবজিন’ পড়তে পড়তে দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকায় প্রকাশিত মার্কিন ঔপন্যাসিক ফিলিপ রথ এর একটি সাক্ষাৎকারের কথা মনে পড়ে গেল। লেখক লিখবেন, পাঠক পড়বেন এটা ধরে নিয়েই আমাদের এই ‘প্রিন্টেড না ডিজিটাল’ এই আলোচনা তো?কিন্তু আশপাশের পরিবেশ দেখে অনেক দিন ধরেই কেন মনে হচ্ছে যে লেখালেখি কিছু হলেও পড়ার ইচ্ছে, হয়তবা অবকাশও, মানুষের ক্রমশই কমে আসছে? শিল্প-সাহিত্য-ইতিহাস-দর্শন কি পণ্ডিতদের গণ্ডির বাইরে ভুলক্রমেও সাধারণ মানুষের কথোপকথনের বিষয় হয়ে উঠছে? তেমনটা তো কই চোখে পড়ছে না। আমার অভিজ্ঞতা বলছে পঞ্চাশ বছর আগেও কিন্তু সেটা হত। প্রায়শই না হলেও ক্বচ্চিৎ-কদাচিৎ তো হতই। এখন কি সেই স্থান দখল করল গাড়ি-বাড়ি (পরিভাষায় ‘রিয়েল এস্টেট’, তাতে ‘রিয়েল’ এর ভাগ যতই কম থাকুক না কেন), খাওয়া-দাওয়া, ভ্রমণ-পর্যটন আর ছবি তোলা? মূল বিষয়টি বোধহয় পড়ার আগ্রহ ধরে রাখা। আরপাঠকসুলভ জিজ্ঞাসু মন ও মনননির্ভর জীবন। সাহিত্যপিপাসু পাঠকের কাছে কোন্‌ মাধ্যমে ভর করে সাহিত্য এসে পৌঁছল তা বোধহয় ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। অনুসন্ধিৎসু পাঠক মালমশলা জোগাড়ে পিছিয়ে থাকবেন না। ফুটপাতের পুরোনো বইয়ের দোকান থেকে অনলাইন লাইব্রেরি, ছাপা পত্রপত্রিকা থেকে আমাদের এই ওয়েবজিন – সর্বত্রই রইবে তাঁর অবাধ বিচরণ।বৃহত্তর পাঠক সমাজ একটা পিরামিডের মত যার নিচের অংশটার ওপর ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে পিরামিডের চূড়াটি। আমার আশঙ্কা পিরামিডের নিচের ভিতটি ক্রমশই ক্ষয়ে আসছে। ওপরে থেকে যাচ্ছেন মুষ্টিমেয় জ্ঞানীগুণী মানুষ।

    ভুল ভাবছি মনে করে চিন্তাটা উড়িয়ে দিতেই পারতাম। যদি না ফিলিপ রথের মত নামকরা এক লেখক সহমর্মী হতেন। যদি না তিনি এই পূর্বাভাস দিয়ে ফেলতেন যে আর বছর পঁচিশের মধ্যেই উপন্যাসের মত একটি জ়ঁর মুষ্টিমেয় সংখ্যালঘু পাঠকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়ে যাবে। যাঁদের হয়ত সিরিয়াস সাহিত্য পড়ার প্রবল ঝোঁক, শুধু সেই ‘কাল্টিক মাইনরিটি’-র সদস্যরা ছাড়া আর খুব বেশি মানুষ বই পড়া নিয়ে মাথা ঘামাবেন না, যদি না তা তাঁদের পেশাগত উন্নতিতে কাজে লাগে! রথের আশঙ্কা সাহিত্য পাঠের জন্য যে নিবিড় মনোযোগের প্রয়োজন, তা এই স্ক্রিন-সর্বস্ব জীবনের চাপে গড়পড়তা মানুষ ক্রমশই হারিয়ে ফেলবেন। পঞ্চাশ বছর আগের পাড়ার লাইব্রেরিগুলোর সঙ্গে বর্তমানের বিস্মৃতপ্রায় স্থানীয় গ্রন্থাগারগুলোর তুলনা করলেই (বিদেশে পরিস্থিতি হয়তবা অন্যরকম) ফিলিপ রথের যুক্তিকে অকাট্য বলে মনে হয়, বইমেলায় হুজুগে দর্শক যতই ভিড় করুন না কেন।

    রথ বলছেন, ‘যদি একটা উপন্যাস পড়ে ফেলতে পনের দিনের বেশি সময় লাগে, তা হলে আপনি কিন্তু সেটা পড়েননি।’ অর্থাৎ আপনি যা পড়ছেন তা নিরবচ্ছিন্নভাবে আপনার মনঃসংযোগ আকৃষ্ট করতে পেরেছে তো? নাকি এদিক-ওদিক ছুটে বেড়ানোর অবসরে খুঁটে খাওয়ার মত কখনও-সখনও কোনও বইয়ের দুয়েক পাতা উল্টে দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্যা জাহির করেই আপনার দায়িত্ব শেষ হয়? স্ক্রিনের সঙ্গে বইয়ের প্রতিযোগিতায় বই ক্রমশই পিছিয়ে পড়ছে। সিনেমার পর্দা, টেলিভিশনের পর্দা, কমপিউটার এবং অধুনা মোবাইল ফোনের দৃশ্য-শ্রাব্য মাধ্যমের জনপ্রিয়তার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ছাপার অক্ষর, তা কাগজে ছাপা বই অথবা ই-বুক যাই হোক না কেন, গোহারান হেরেই চলেছে।

    বুলেট ট্রেনের যুগে আমি কি ঘোড়ার গাড়ির যাত্রী হতে বলছি? বেশ কয়েক বছর আগে এই দ্রুতগতির যুগে শ্লথগতির লেখাপড়া নিয়ে সুলিখিত একটি বই (Slow Reading in a Hurried Age – David Mikics) পড়েছিলাম মনে পড়ে| সে বইতে পাশে অভিধান খুলে রেখে ধ্রুপদী সাহিত্য পড়ার পরামর্শ (বোকা-বোকা লাগছে কি?) দেওয়া ছিল। কী আশ্চর্য ফিলিপ রথের উপন্যাস পড়ার কথাও বলা হয়েছিল! সাহিত্য পাঠ এক ধরনের মানসিক ভ্রমণ যার জন্য প্রস্তুতি নিতে হয়। ট্যুরে বেরোনোর আগেলেখকের জীবন, তাঁর সাংস্কৃতিক-ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের খবরাখবর রাখতে হয়, অনেকটা পুরোনো প্রেসিডেন্সি কলেজে প্রবাদপ্রতিম অধ্যাপক তারকনাথ সেন অথবা তাঁর সুযোগ্য শিষ্য আমাদের অধ্যাপক অরুণ কুমার দাশগুপ্ত যেভাবে ছাত্রছাত্রীদের সাহিত্য পাঠের জন্য প্রস্তুত হতে বলতেন, তেমনি আর কী।

    মাননীয় সম্পাদক মহোদয় বেশ কিছুদিন ধরেই পত্রিকার ‘চিঠিপত্র’ বিভাগটির গুণগত মান নিয়ে মর্মবেদনা প্রকাশ করে আসছেন। তিনি হয়ত ভাবছেন ছাপা পত্রিকায় এই দৈন্য তেমন প্রকট নয়। এই একটি ব্যাপারে তাঁর সঙ্গে একমত হতে পারলাম না। এই দীনতা ইতিমধ্যেই গেড়ে-বসা একটি সামাজিক প্রবণতার প্রতিফলন।এই দৈন্য দ্রুতগতির, বাণিজ্য-নির্ভর, স্বার্থান্বেষী এক সমাজের চিন্তার দৈন্য। ব্যতিক্রমী লেখক-পাঠক অবশ্যই আছেন। তাঁরা হয়ত নিরালা পরিবেশের আকাঙ্ক্ষায় মার্সেল প্রুস্তের মত ঘরের দরজা-জানলায় কর্ক সেঁটে আশা করছেন বাইরের আওয়াজ একেবারেই ভেতরে প্রবেশ করবে না। কিন্তু মনে রাখতে হবে সেই প্রখ্যাত ফরাসি ঔপন্যাসিকও বারংবার তাঁর প্রতিবেশিনীকে চিঠি লিখে মনে করাতেন যে ওপরের ফ্ল্যাট থেকে আসা শব্দ তাঁর কাজে কেমন বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। এ পৃথিবীতে সাহিত্যচর্চার জন্য প্রুস্তের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। তবেই আমরা এগিয়ে যেতে পারব হারানো সময়ের সন্ধানে, আ লা মার্সেল প্রুস্ত।
    Rumjhum Bhattacharya | pune | 2022-05-17
    খুব প্রাসঙ্গিক বিষয়। আরও আলোচনা ও গবেষণা প্রয়োজন।
    Chhanda Bewtra | Omaha, USA | 2022-05-04
    (Apology for not being able to work Avro due to some technical glich) Another big advantage of digital media is saving millions of trees. It is important for the environmentally conscious current generation. Except for some sentimental and nostalgic values, digital will always win over printed media. As the alien Borg said in Star Trek, "You will be assimilated. Resistance is Futile."
  • অল কোয়ায়েট : মার্চ ২০২২ : নিরুপম চক্রবর্তী | সংখ্যা ৮৬ | April 2022
  • স্বপন রায় | ব্যাঙ্গালোর | 2022-04-18
    এই সময়ের কবিতা।যুদ্ধ নীরবতা নিয়ে আসে,মৃত্যুর নীরবতা।কবি নিরুপম চক্রবর্তী এই নীরবতার শব্দগুলোই লিখেছেন।
  • স্বর্ণ জয়ন্তীতে ফিরে দেখা – ‘ওডেসা ফাইল’ : ভাস্কর বসু | সংখ্যা ৮৬ | April 2022
  • Aniruddha Ganguly | Bengaluru | 2022-04-23
    সুন্দর, সুঠাম, নিপুণভাবে গবেষণা ভিত্তিক ও দক্ষ বিশ্লেষণাত্মক রচনা।
    শিবাংশু দে | কলকাতা | 2022-04-19
    বিন্যস্ত রচনা। চেনা তথ্যগুলি সাজানোর গুণে সুখপাঠ্য হয়ে উঠেছে।
    সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায় | সোনারপুর | 2022-04-17
    চমৎকার লাগল এই প্রতিবেদন। আমি প্রথমে ছায়াছবিটা দেখে পরে উপন্যাসটা পড়েছিলাম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষিতে লেখা এই উপন্যাসের আলো আঁধারি ন্যারেটিভের পথচলায় ঠান্ডা যুদ্ধের আমলের এক থ্রিলারের নান্দীমুখ প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল। এই প্রতিবেদনের অলিন্দে সেই প্রেক্ষাপটের চুলচেরা বিশ্লেষণ উঠে এসেছে। এই ধারার সাহিত্যে চরিত্রের গ্রে-শ্যেড যেভাবে জ্যান্ত ইতিহাসের গ্রিনরুম থেকে উঠে আসে, রাজনীতির আবর্তে যেভাবে রহস্য দানা বাঁধে সেই দিকটা যথাযথভাবে প্রাণ পেয়েছে এই প্রবন্ধের বিন্যাসে।
  • বাদাম জমি : অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী | সংখ্যা ৮৬ | April 2022
  • Kankana Mayur | Howrah | 2022-04-25
    Excellent story and very much realistic. The characters are sketched pretty well.
  • সাইরাস : অনিন্দ্য বসু | সংখ্যা ৮৬ | April 2022
  • chhanda bewtra | omaha USA | 2022-04-16
    বাঃ বেশ চমৎকার sci-fi লেখা। শেষের মোড়টা গল্পটাকে অন্য সারিতে তুলে দেয়।