




আবার একটা মহারণ শুরু হল। ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬। আবার উত্তেজনা। আবার রাত জেগে খেলা দেখা। এবারে অবশ্য বেশ কিছু খেলা ভারতীয় সময় অনুসারে দিনের বেলায় পড়েছে। সে একরকম সুবিধেই হয়েছে। অফিসকাছারি করতে করতে পকেট থেকে টুক করে মোবাইলটা বের করে দেখে নেওয়া যাবে। লাইভ অথবা হাইলাইটস।
আমি অবশ্য ফুটবল খুব একটা ভালোবাসি না। আমার পছন্দ ক্রিকেট। ছোটোবেলায় বাড়ির ছাদে ভাইয়ের সঙ্গে, পাড়ার মাঠে, স্কুলে বন্ধুদের সঙ্গে ক্রিকেট নিজেদের ‘আন্তর্বন্ধু’ নিয়ম মেনে যেটুকু-বা খেলেছি, সে-তুলনায় ফুটবল নগণ্য। তার একটা কারণ হতে পারে, আমার মা। কারণ, ছোটোবেলায় যেকোনো ঘরোয়া আড্ডায় খেলাধুলোর কথা উঠলেই মাকে বলতে শুনেছি, ‘ফুটবল খেলাটা আমি একদম পছন্দ করি না। প্রতি মুহূর্তে যা “লাথালাথি” চলে। উফ! তার চেয়ে ক্রিকেট অনেক ভদ্র খেলা।’ (এটা একেবারেই মায়ের ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি। তবে, এখন এই দৃষ্টিভঙ্গি একেবারেই পালটে গেছে।)
এদিকে একটা বিরল রোগ নিয়ে জন্মানোর ফলে, তিনবার ভেলোর যাওয়ার পর ডাক্তারবাবুরা পইপই করে বলে দিয়েছিলেন, আমি যেন কোনোমতেই হুড়োহুড়ি, দৌড়োদোড়ি না করি। কারণ, পড়ে গিয়ে কোনোভাবে আমার মাথায় আঘাত লাগলে তা কিন্তু গুরুতর হতে পারে। সেই কারণে, আমার মা, বাবা আমায় ছোটোবেলায় খানিকটা ‘এলআইসি’ করেই বড়ো করেছে।
আমি যখন হাওড়া ময়দানে সেন্ট থমাস চার্চ স্কুলে নার্সারিতে ভরতি হলাম, তখন মা, বাবা সব মিস আর স্যারকে অনুরোধ করল, আমার দিকে একটু বিশেষ নজর রাখার জন্য। ওই স্কুলে কেজি ক্লাস পর্যন্ত পড়েছিলাম। কোনো অসুবিধে হয়নি।
এরপরে ক্লাস ওয়ানে ভরতি হলাম ফণীন্দ্রনাথ কিন্ডারগার্টেন হোম-এ। এটা হল মায়ের স্কুল। মায়ের স্কুল মানে মা এই স্কুলের প্রথম আউটগোয়িং ব্যাচের ছাত্রী। ভরতি হয়েছিল ১৯৫৭ সালে। ফলে, আমার বেশিরভাগ দিদিমণিই মায়েরও দিদিমণি। মা যখন আমার কথা বলতে গেল, তখন তাঁরা সমস্বরে বললেন, ‘তুমি একদম কোনো চিন্তা কোরো না, গায়ত্রী। তোমার ছেলে আমাদের কাছে ভালোই থাকবে। তুমি নিশ্চিন্তে বাড়ি যাও।’ এরপর আজকের দিনের ভাষায় যাকে ‘বাউন্সার’ বলে, আমার সেই দু-জন অত্যন্ত প্রিয় বাউন্সার বন্ধু আমার সুরক্ষার দায়িত্ব নিল। কেবল পায়ে পায়ে ঘোরে। রাকেশ দলুই। সৌরভ টাট।
এসব সত্ত্বেও একদিন একটা ঘটনা ঘটে গেল। বাউন্সারদের চোখ এড়িয়ে সিঁড়ি দিয়ে দুদ্দাড়িয়ে মাঠে নামছিলাম টিফিনের সময় খেলব বলে। প্রথম ল্যান্ডিং-এ নেমে সেখান থেকে আর দুদ্দাড়িয়ে না নেমে কী মনে করে একেবারে ছ-সাতটা সিঁড়ি থেকে লাফ। আমি জানতাম, আমার মধ্যে কোনোদিনই ‘হিরোইজম’ নেই, ছিল না। পরে ভেবে দেখেছি, ভাবনাটা ভুল। আমার মধ্যে ‘টানা হিরোইজম’ নেই, ছিলও না কোনোদিন। কিন্তু, হিরোইজমের ‘স্ফুলিঙ্গ’ ছিল। তাই সেক্ষেত্রে যা হওয়ার তাই হল, নাক ফেটে দরদর করে রক্ত পড়তে শুরু করল। খবর পেয়ে কয়েক জন দিদিমণি, রাকেশ আর সৌরভ ছুটে এল। সবাই মিলে ধরাধরি করে আমাকে ওপরে নিয়ে গিয়ে দালানের বাঁ-দিকে অশোকা দিদিমণির ক্লাস থ্রি-র ঘরে শেষের দিকে একটা বেঞ্চে শুইয়ে দেয়। আমার নাক থেকে তখন অঝোরে রক্ত ঝরছে।
আমরা তখন ক্লাস ফোর। এরপর দিদিমণিরা আমার মা-কে ফণীন্দ্রনাথ কিন্ডারগার্টেন হাউস স্কুলে খবর পাঠান। মা তখন ওই স্কুলের শিক্ষিকা। এর ফাঁকে যন্ত্রণার চোটে আমি একটু ঘোরের মধ্যে চলে যাই। ঘোর কাটতে দেখি, আমার পাশে আমার ক্লাসের এক অন্যতম প্রিয় মেয়েবন্ধু হাতে একবাটি জল আর একটা রুমাল নিয়ে বসে। আর একবাটি চিনি। দিদিমণি ওকে বলেছেন, আমার নাকে মাঝে মাঝে খানিকটা করে চিনি চেপে ধরতে। চিনি নাকি রক্ত বন্ধ করে! ও সেটা করবে বলেই অপেক্ষা করছে।
এরপর সবাই মিলে আমাদের প্রাণের স্কুল ফণীন্দ্রনাথ কিন্ডারগার্টেন হোম-কে একদিন চোখের জলে বিদায় জানিয়ে যে যার মতো এদিকে-ওদিকে ছড়িয়ে পড়লাম। কারো কারো সঙ্গে যোগাযোগ থাকল, কেউ কেউ একেবারেই বেপাত্তা। মনটা আরও খারাপ হয়ে গেল।
আমি ভরতি হলাম হাওড়া জেলা স্কুলে। ক্লাস ফাইভে। রীতিমতো পরীক্ষা দিয়ে। এক্ষেত্রেও মাস্টারমশাই আর দিদিমণিদের একই কথা বলে দেওয়া হল। মর্নিং সেকশনে আমাদের খেলাধুলোর শিক্ষক ছিলেন বিজনবাবু। তিনি আমাদের খুবই ভালোবাসতেন। বাবা যখন গিয়ে তাঁকে আমার কথা বলল, তখন তিনি হেসে বাবাকে নিশ্চিন্ত করলেন। ডে সেকশনে এই বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন আন্তর্জাতিক মানের রেফারি সাগর সেন। ক্লাস সিক্সে ওঠার পর বাবা তাঁকেও গিয়ে আমার ব্যাপারে বিশদে বলে এল। তিনিও বাবাকে নিশ্চিন্ত করলেন। এর ফলে, কোনোদিনই আমাকে হাফ-ইয়ারলি আর অ্যানুয়াল পরীক্ষার সময় ‘শারীরশিক্ষা’ পরীক্ষার দিন খেলাধুলো সংক্রান্ত কিছু মৌখিক প্রশ্ন আর ফুটবলে শট মারা বা ফাঁকা গোলপোস্টে বল ঢোকানোর মতো সহজ কাজ ছাড়া আর কিছুই করতে হয়নি।
কিন্তু, আমারও তো খুব খেলতে ইচ্ছে করত! তাই আমার মতো আরও যেসব অবহেলিত বন্ধু ছিল, যারা বড়ো মাঠের টিমে চান্স পেত না, আমি সেই ‘অবহেলিত’ দলে একজন ‘নবাগত’ হিসেবে একদিন ভিড়ে গেলাম।
আমাদের স্কুলে পেছনের দিকে সিমেন্টের মাঠের পাশে একটা অতি প্রাচীন, অতি বিখ্যাত অশ্বত্থ গাছ ‘ছিল’। ‘ছিল’ বললাম, কারণ বহু বছর হয়ে গেল স্কুলে যাইনি, গাছটা এখনও আছে কি না জানি না! না থাকলে যারপরনাই কষ্ট পাব। কারণ, গাছটাকে ঘিরে স্মৃতির মহিরুহ!
এই অশ্বত্থ গাছের ঠিক পাশেই ছিল আমাদের ‘অবহেলিত’ ক্লাবের ইডেন, যুবভারতী। সেটা ছিল, আন্তর্বন্ধু দলের ক্ষেত্রে ‘পাটি’ করে খেলার যুগ। অর্থাৎ, কে ক্যাপ্টেন হবে সেটা ঠিক করত ক্যাপ্টেন নিজেই। তারপর, সে তার পছন্দমতো খেলোয়াড় বেছে নিত।
একদিন এই অশ্বত্থ গাছের ঠিক পাশেই আমাদের ‘অবহেলিত’ ক্লাবের যুবভারতীতে আমি আমার জীবনের প্রথম এবং সারাজীবনের একমাত্র কৃতিত্ব প্রদর্শনের সুযোগ পেলাম। অশ্বত্থ গাছটার দু-এক ফুট পেছনে একটা লম্বা পাঁচিল। পাঁচিলের ওপাশে বিরাআআআট একটা মাঠ। মাঠের কথায় পরে আসব। আগে ম্যাচের কথাটা সেরে নিই। পাঁচিলের সামনে দুটো ইটের টুকরো একটু দূরত্বে রেখে একদিকের গোলপোস্ট করা হল, একইভাবে উলটোদিকেও তাই। ঠিক হল ছ-জন প্রতি দল হিসেবে খেলা হবে। তার মানে মোট বারোজন খেলোয়াড়। কোনো রেফারি নেই। তখন এই ধরনের ছোটোখাটো খেলায় খেলোয়াড়রাই রেফারিও।
যাক গে যাক, এবার থলে থেকে বেড়াল বের করার সময় এসে গেছে। ছোটো রবারের বলে খেলা হচ্ছিল, যে বলে সাধারণত ক্রিকেট খেলা হত এবং আজও হয়। ছোটো জায়গায় ছোটাছুটিতে আমার কোনো অসুবিধে হত না। আমি একটু ছুটে এসে বলটায় লাথি মেরে গোল দিলাম।
সেদিনের ম্যাচের প্রথম গোল।
সেদিনের ম্যাচে আমার করা একমাত্র গোল।
যেটা আমি জিরো ডিগ্রি অ্যাঙ্গল থেকে করেছিলাম। কী করে, তার উত্তর এতগুলো বছর পেরিয়ে এসেও আমার কাছে নেই!
ওটাই আমার জীবনের প্রথম এবং সারাজীবনের একমাত্র কৃতিত্ব।
আমরা যখন ক্লাস নাইন, তখন একবার ঠিক হল, ইন্টার-ক্লাস ফুটবল টুর্নামেন্ট হবে। সেইসময় আমাদের খেলার শিক্ষক কে ছিলেন নিশ্চিত করে মনে পড়ছে না। সাগর স্যার নয় যদ্দূর মনে হয়। যিনিই থেকে থাকুন, তিনি জানালেন, মূল খেলা হবে ‘হাওড়া কর্পোরেশন স্টেডিয়াম’-এ। যেদিন খেলা, তার আগের দিন আমাদের গোটা ক্লাসের সব্বাইকে স্কুল লাগোয়া বিরাআআআট মাঠটায় প্র্যাকটিস করতে হবে। হাফ প্যান্ট পরে। সব্বাইকে। কারো নিস্তার নেই।
এখানে এবার মাঠটার একটু বর্ণনা দেওয়া দরকার। জ্যামিতিক দিক থেকে দেখলে মাঠটাকে দেখে মনে হত বিশাল বড়ো একটা ট্র্যাপিজিয়ম। স্কুলের গেট দিয়ে বেরিয়ে মাঠটার পাশে দাঁড়িয়ে একই তল থেকে দেখলেও তাই মনে হত, আবার পাশের ফ্লাইওভার দিয়ে বাসে চেপে যেতে যেতে নীচের দিকে তাকিয়ে দেখলেও তা-ই মনে হত। কিন্তু, সেই মাঠ যে কেন ‘পরোটা মাঠ’ বলে পরিচিত, আমি আজও জানি না। অনেকদিন চোখ বুজে কল্পনা করার চেষ্টা করেছি, একটা ‘ট্র্যাপিজিয়ম’ আকারের পরোটা, কিন্তু ছবিটা ভালো করে ভেসে ওঠার আগেই হেসে ফেলেছি।
এই পরোটা মাঠেই মূল ম্যাচের আগের দিন আমাদের প্র্যাকটিস ম্যাচ। এর মধ্যে আমরা, ‘অবহেলিত’ ক্লাবের সদস্যরা, রবারের ছোটো বল ছাড়াও যে যার পাড়ায় একটু বড়ো সাইজের সাদা রঙের ‘পাওয়ার বল’-এও খেলতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি।
২০১৪ সালের কলকাতা আন্তর্জাতিক পুস্তকমেলায় ‘ইশ্কুল-বেলা’ নামে আমার একটা বই বেরোয়। সেই বইতে আমি এই ঘটনাটার কথা উল্লেখ করেছিলাম। তবে, রেখেঢেকে। কোনো বন্ধুর নাম উল্লেখ না করে। কারণ, তখন বয়েস আর সাহস দুটোই ছিল কম। এখন অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছি। হাফ সেঞ্চুরি হতে আমাদের আর দু-ঘর বাকি।
আমরা হাওড়া জেলা স্কুলের ১৯৯৫ সালের মাধ্যমিক ব্যাচ।
আবার ফিরি সেদিনের কথায়।
খেলা শুরু হল। আমার জীবনে প্রথমবার সত্যিকারের ফুটবলে পা ঠেকানো। সত্যিকারের ফুটবল মানে যে ফুটবলের সাইজ সূর্যর সমান। অর্থাৎ, পৃথিবী থেকে আমরা সূর্যকে যে সাইজের দেখি, ফুটবলটার সাইজটাও প্রায় তাই। স্বাভাবিকভাবেই আমি একটু উত্তেজিত। দৌড়োচ্ছি যত না, লাফাচ্ছি তার চেয়ে বেশি। ফলে, পায়ে বল আসছেও না।
কিন্তু এল। হঠাৎ এল। এবং, আমাকে কেমন একটা থতোমতো করে দিল। বলটা নিয়ে কী করব, সেই মুহূর্তে আমার কী করা উচিত ভেবে না পেয়ে কয়েক সেকেন্ড কেমন একটা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেলাম। কয়েকটা গলার চিৎকার শুনে মুহূর্তের মধ্যে ঘোর কাটিয়ে দেখলাম, সামনে একটু দূরেই একটা গোলপোস্ট। এক্কেবারে ফাঁকা। কেউ নেই। অথচ, আমার পায়ে বল। আমার পায়ে অল্প হলেও শক্তি। দিলাম সূর্যসম বলটাকে ডান পা দিয়ে ঠেলে গোলের দিকে। সে গড়াতে গড়াতে ঢুকে গেল একটার থেকে আরেকটা একটু দূরত্বে রাখা ইটের গোলপোস্টের মধ্যে। আমি আনন্দে দু-হাত ওপরে তুলে ‘গো-ও-ও-ও-ল’ বলে চিৎকার করে উঠে ‘অ্যাবাউট টার্ন’ করলাম।
অবাক হয়ে দেখলাম, আমার সহপাঠী বিপক্ষ দলের খেলোয়াড় দীপঙ্কর বিশ্বাস, রঞ্জন কোলে, মৌসম কোলে এবং আরও কয়েক জন দূর থেকে হাসতে হাসতে আমার দিকে দৌড়ে আসছে। আমি বুঝলাম, আমার এই অসাধারণ কৃতিত্বর জন্য এবার ওরা আমায় জড়িয়ে ধরবে। হলও তাই। আমি খুশি হলাম। খেলাধুলো নিয়ে আমার মনে বহুদিনের যে একটা অবদমিত গ্লানি ছিল, সেটা নিমেষে কেটে গেল।
ওরা আমায় অভিবাদন জানিয়ে, অভিনন্দিত করে ফিরে গেল।
সূর্যসম ফুটবলে আমার প্রথম গোলের তৃপ্তিতে যখন ‘তা’ দিচ্ছি, চোখ গেল ডান দিকে। এতক্ষণে একটু দূর থেকে এগিয়ে আসছে আমাদের দলের ক্যাপ্টেন সুকান্ত চ্যাটার্জি। ওর ফর্সা মুখ লাল। মুখ থমথমে। দেখে মনে হল, আমাকে বোধ হয় তেড়ে মারতে আসছে। ওর পেছনে আরও অনেকজন। সৌরভ টাট, সৌম্য জানা, শুভ্রকমল পালিত, এরকম আরও অনেকে। তবে, আমাকে সেদিন ওরা মারেনি। আমার ক্লাসের সবাই আমাকে খুব ভালোবাসত।
তাই মারার প্রশ্ন ওঠেনি। সেদিন আমাদের দলের ক্যাপ্টেন সুকান্ত চ্যাটার্জির হাত চলেনি। কিন্তু, তার বদলে যেটা চলেছিল, সেটা হল ‘মুখ’। আর কে না জানে, ক্লাস নাইনের একটা ছেলের ‘হাত’-এর চেয়ে ‘মুখ’-এর জোর বেশি। তাই সেদিন আমার শব্দভাণ্ডার অনেক বেড়ে গেছিল। অবশ্য, আমিও চুপ থাকিনি। ব্যাখ্যাসহ নিউটনের তিনটে গতিসূত্র আমার ভালোমতোই জানা ছিল। তাই, তৃতীয় গতিসূত্র, অর্থাৎ, ‘প্রত্যেক ক্রিয়ার একটা সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে’, মেনে আমি সঙ্গেসঙ্গে যথাযোগ্য উত্তর দিই। কিছুক্ষণ উত্তর-প্রত্যুত্তর চলার পরে উপস্থিত বাকিরা এসে উত্তেজনা প্রশমিত করে। খেলার ফলাফল হয় ১-১।
সেদিন সেই সূর্যসম ফুটবলে প্রথমবার করা অনমিত্র রায়ের গোলটা ছিল ‘সেমসাইড গোল’।