• Parabaas
    Parabaas : পরবাস : বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • পরবাস | সংখ্যা ১০৪ | অক্টোবর ২০২৬ | রম্যরচনা
    Share  
  • চায়ের কাপে তুফান : কল্লোল রায়

    কলেজজীবনে রাজনীতির সাথে আপনার সম্পর্ক থাক বা না থাক, বন্ধুদের সাথে ধোঁয়া=ওঠা চায়ের কাপে আপনি তুফান তোলেননি অথবা তুফান উঠতে দেখেননি, এ হতেই পারে না। কিন্তু দেড়শ বছর আগেও ভারতের মাটিতে যার কোনো অস্তিত্ব ছিল না, সেই ‘চা’ কীভাবে আমাদের চিন্তা ও চেতনায়, আমাদের উৎসবে ও সামাজিকতায় একটা তুফানের মতো ঢুকে পড়ল, সেটা জানতে গেলে সময়ের হাত ধরে একটু পিছনের দিকে হাঁটতে হবে।

    আমরা, ভারতীয়রা চা খেতে শিখেছি ইংরেজদের দেখে। তবে কি চা বিদেশী? না, এটা বললে অর্ধসত্য বলা হবে। উত্তর আসামের জঙ্গলে এক প্রজাতির জংলী গাছ পাওয়া যেত। স্থানীয় সিংফো ও খামতি জনগোষ্ঠীর লোকেরা বহু শত বছর ধরে সেই বুনো গাছের পাতা তাদের পানীয় হিসেবে ব্যবহার করত। কিন্তু এই জনগোষ্ঠীর বাইরে সেই তথাকথিত আসাম-চা সাধারণ মানুষের কাছে তখন কোনো জনপ্রিয়তা পায়নি। এদেশে প্রথম বাণিজ্যিক ভাবে চায়ের চাষ এবং প্রসেসিং শুরু করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।

    এবার আসা যাক চাইনিস-টির গল্পে। ইতিহাস বলে খ্রিষ্টপূর্ব ১৭২৭ সালে প্রসিদ্ধ চৈনিক সম্রাট সেং-নং তাঁর বাগানে খুঁজে পান চায়ের গাছ। আকস্মিকভাবে একদিন তাঁর গরম জলের পেয়ালায় একটি চায়ের পাতা পড়ে। সেই পানীয়র সুবাস ও স্বাদ সম্রাটের এতই পছন্দ হয় যে, সেটি তিনি নিয়মিত গরম জলের সাথে পান করতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে এই পানীয়টি চীনের আমজনতার মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। পরে কয়েক শতাব্দী ধরে চাইনিজ চায়ের নেশা রাশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আরব এবং ইউরোপের মানুষদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। মজার কথা হলো, ইংল্যান্ডে প্রথম চা নিয়ে আসে ‘ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’। অল্প কিছুদিনের মধ্যে চা ইংরেজদের মন জয় করে নেয়।

    তখন ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিক। ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন ও শোষণ চলছে। লন্ডনে তখন চায়ের খুব চাহিদা। আর চায়ের জোগান আসতো চীন থেকে, চায়ের দামও ছিল চড়া। তার উপরে চীনের সরকার বলল আমরা চা বেচব, কিন্তু পরিবর্তে চাই রুপো। কিন্তু ইংরেজরা অত রুপো পাবে কোথায়? কেন, আফিং বেচে! ভারতের মাটি আছে কী করতে? বাংলা ও বিহারের বিস্তীর্ণ উর্বর জমিতে স্থানীয় চাষিদের দিয়ে ইংরেজরা জোর করে আফিঙের চাষ শুরু করাল। চীনে সরকারিভাবে আফিং নিষিদ্ধ, কিন্তু তার চাহিদা তুঙ্গে। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সেই সুযোগ কাজে লাগাল। ভারতে উৎপন্ন আফিং কলকাতার মার্কেটে চড়া দামে নিলাম হতো। বেনামে সেই আফিং কিনত চীনের ব্যবসায়ীরা। বিনিময়ে তারা রুপো দিত ইংরেজদের। সেই রুপো দিয়ে সরকারিভাবে চীনের মার্কেটে চা কিনত ইংরেজরা। চা যেত ইংল্যান্ডে আর ঘুরপথে আফিং ঢুকত চীনে। অর্থাৎ বাংলা-বিহারের চাষিদের রক্ত জল করা পরিশ্রমে ব্রিটেনের লোকেদের চায়ের তৃষ্ণা মিটত, আর অন্যদিকে চীনের সাধারণ মানুষেরা আফিঙের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকত। এই ব্যবস্থা কয়েক দশক ধরে বেশ রমরমিয়ে চলল। অবশেষে এক সময়ে দেশের লোকজনের অবস্থা দেখে চীনের সম্রাটের টনক নড়ল। ১৮৩২ সালে চীনের সরকার সে দেশের মাটিতে ব্রিটিশ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ আফিম বাজেয়াপ্ত করে ধংস করে দিল। শুরু হলো ব্রিটিশদের সাথে সরাসরি সংঘাত এবং যুদ্ধ। ইংল্যান্ডে চা রফতানি মাথায় উঠল।

    যা হোক আমরা আবার নিজের দেশে ফিরে আসি। ব্রিটিশরা অনেক দিন ধরেই বুঝতে পারছিল যে চীনের উপর ভরসা করার দিন শেষ হয়ে আসছে। ভারতেই কিছু একটা করতে হবে। কারণ ভারতবর্ষ তখন পুরোপুরি ইংরেজদের কন্ট্রোলে।

    ১৮২৩ সালে বেঙ্গল আর্টিলারি ডিভিশনের মেজর রবার্ট ব্রুস আসামে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয় গ্রাম প্রধানের কাছে হঠাৎই শুনলেন জংলী চা গাছের গল্প। উত্তর আসামের জঙ্গলে পাওয়া যায় এই গাছ। স্থানীয় লোকেরা নাকি কয়েকশ বছর ধরে তার পাতা ব্যবহার করে আসছে। যদিও সেই চা তথাকথিত চৈনিক চা গাছের থেকে বেশ অন্য প্রজাতির। তা হোক না, পরীক্ষা করতে দুই প্রজাতির গাছ লাগানো হলো আসামের মাটিতে। চীনের চারাগাছ আসামের গরম সহ্য করতে পারল না। মারা গেল। ওদিকে দেশী চা গাছগুলো আসামের জল-হাওয়াতে বেশ তরতাজা হয়ে বেড়ে উঠল। এটা ছিল ইতিহাসের একটা টার্নিং পয়েন্ট।

    ১৮৩৯ সালে “দা আসাম কোম্পানি ইন্ডিয়া লিমিটেড” নামে পৃথিবীর প্রথম চায়ের কোম্পানি গঠিত হয়। জঙ্গল কেটে আপার আসামের চাবুয়া, নাজিরা এবং ডুমডুম অঞ্চলে প্রথম বাণিজ্যিক ভাবে চায়ের চাষ শুরু হলো। ওই বছরই প্রথম আট পেটি ‘আসাম চা’ সমুদ্র পার করে পৌঁছলো লন্ডনের টি অকশন রুমে। দেখতে দেখতে সেই আসাম-চা সারা ইংল্যান্ডের মানুষের কাছে ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। একটা উল্লেখযোগ্য তথ্য যে, ‘আসাম কোম্পানির’ একজন অন্যতম ফাউন্ডার ডিরেক্টর ছিলেন দ্বারকানাথ ঠাকুর। সেসময়ে দেশের সমস্ত ব্যবসা-বাণিজ্যে বাঙালিরা ছিল সবার থেকে এগিয়ে।

    ১৮৪০ এ দার্জিলিঙের পাহাড়ি ধাপে চা চাষের চেষ্টা করা হলো। আর কী আশ্চর্য, দার্জিলিং পাহাড়ের মাটি, উচ্চতা, ঠান্ডা এবং ভেজা আবহাওয়াতে অনেক উন্নতমানের চায়ের প্রজাতির জন্ম নিল. সে চায়ে যেমন সুন্দর গন্ধ, তেমনি সুন্দর রং। আসামের পরে দার্জিলিং পাহাড়ে চা চাষের সাফল্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে ভীষণভাবে উৎসাহিত করল। খুব তাড়াতাড়ি ডুয়ার্স, তরাই , নীলগিরি, কাংড়া, কাছাড় এবং দেশের অন্যান্য জায়গায় চায়ের চাষ ছড়িয়ে পড়ে। ভারতের জলবায়ু, খুব সস্তায় চা বাগানের শ্রমিক, রেল ও বন্দরের সুবিধে ইত্যাদি ভারতে চা শিল্পের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করল।

    কিন্তু এ তো গেল ইংরেজদের চা খাওয়ার গল্প। কিন্তু চা কীভাবে দেশের আমজনতার হেঁসেলে ঢুকে পড়ল সেও এক ইন্টারেস্টিং কাহিনী।

    ঊনবিংশ শতক অবধি ভারতীয়দের মধ্যে চায়ের আসক্তি খুব একটা তৈরি হয়নি। তবে তখন ভারতীয়দের প্রধান পানীয় কি ছিল? বিভিন্ন রকম ফল, বাদাম ও ছাতুর শরবত তখন খুব জনপ্রিয় ছিল। ছাস, মাঠা বা ঘোল, লস্যি, দুধ, নারকেলের জল, এবং ঘরোয়া পদ্ধতিতে ভাত পচিয়ে তাড়ি জাতীয় পানীয় ভারতীয়দের মধ্যে জনপ্রিয় ছিল। এছাড়া অঞ্চল বিশেষে বিভিন্ন রকম ভেষজ ও আয়ুর্বেদিক পানীয়র বেশ প্রচলনও যথেষ্ট।

    বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে ইংরেজরা দেখল যে, ইংল্যান্ডের চাহিদার তুলনায় ভারতে চায়ের উৎপাদন অনেক গুণ ছাপিয়ে গিয়েছে। ওদিকে সমুদ্র পথে চা নিয়ে যাওয়ার ঝক্কি অনেক। চারদিকে যুদ্ধের বাতাবরণ, অনিয়শ্চয়তা। তার মধ্যে ইউরোপে ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং ১৯২৯ সালে গ্রেট ইকোনমিক ডিপ্রেসন সমস্যা আরো জটিল করে তোলে। সুতরাং ভারতের মাটিতে চায়ের মার্কেট তৈরি করা খুব জরুরি। এদেশের বিপুল জনসংখ্যার একটা ছোট অংশও যদি চা খেতে শুরু করে, তাহলেই যে বিশাল মার্কেট তৈরি হবে, তা ইংল্যান্ডের ও ইউরোপের বাজারের থেকে অনেক বড় হবে। কিন্তু সেই সময়ে একজন সাধারণ ভারতীয়র কাছে চা ছিল একটি “বিদেশী, এবং বড়োলোকের বিলাসবহুল” পানীয়। সুতরাং তারা সেই অপরিচিত পানীয় গ্রহণ কেন করবে? ইন্ডিয়ান টি এসোসিয়েশন তাই ভারতীয়দের মধ্যে চা খাওয়া জনপ্রিয় করতে কোমর বেঁধে লেগে পড়ে।

    “যো দিখতা হ্যায়, ও বিকতা হ্যায়।” বিপণন জগতে এই গোড়ার কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন রকম চায়ের নমুনা সাধারণ মানুষের চোখের সামনে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হলো। কিন্তু সাধারণ লোকজনকে দেখানো যায় কীভাবে? কেন, রেলস্টেশনে! প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষ জীবিকার জন্য রেল সফর করে। তাই হাওড়া-সহ দেশের বিভিন্ন বড় বড় রেল স্টেশনে চায়ের নমুনা প্রকাশ্যে দেখানো শুরু হলো। চা তৈরির পদ্ধতি লিখে বড় বড় হোর্ডিং লাগানো হলো।

    শুধু দেখিয়ে কী হবে? খুব শিগগিরি টি-কোম্পানিগুলো বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রীদের বিনা পয়সায় চা খাওয়াতে শুরু করল। চায়ের কেটলি হাতে হকারদের দৌড়াদৌড়ি করতে দেখা গেল। শুধু খাওয়ানো? তার সাথে চা কীভাবে বানাতে হয় (পাঁচ ধাপে ইংলিশ-টি বানানোর পদ্ধতি) শেখানো হল। কিন্ত তাতেও লোকে সংশয় গেল না। চায়ের দাম এত বেশি, যদি বাড়ির লোকের পছন্দ না হয়? আচ্ছা, কিনতে তোমাদের বেশি পয়সা লাগবে না, এই বলে কোম্পানি ‘এক পয়সা’ দামে চায়ের স্যাচেট দিতে শুরু করল, কখনোবা তা বিলি করল ফ্রিতে। যাও, তোমরা বাড়িতে গিয়ে চা বানিয়ে দেখো, ভালো লাগলে আবার এসো। কিন্তু টি পটে গরম জলে চা ভেজাও, দুধ, দাও চিনি দাও - এসব সাহেবী ঝামেলা কে নেবে? সুতরাং এই সব উদ্যোগ সত্ত্বেও চা খুব একটা জনপ্রিয় হলো না।

    শেষ পর্যন্ত ব্রেক-থ্রু এল এক নাম-না-জানা হকার ভাইয়ের বুদ্ধিতে। ভারতীয়রা বরাবরই জোগাড়ে পটু। সে বললে, ওই সব ফ্যাটফ্যাটে কালো ‘আংরেজী-টি’ আমাদের জন্য নয়। তাই গরম জলে চা না ফুটিয়ে, দুধে চা ফোটাও। ভারতীয়রা তো দুধ খেতে ভালোবাসে। দুধ ফুটে বেশ ঘন হয়ে গেলে তার মধ্যে বেশি করে চিনি ঢেলে দাও। আদা কুচি দাও, ছোট এলাচ দাও, দারচিনি দাও, লবঙ্গ দাও স্বাদমতো। ভালো করে ফোটাও। ব্যস এবার যেটি তৈরি হলো সেটা সম্পূর্ণভাবে ‘দেশী চায়ে’, ভারতীয়দের স্বাদ, গন্ধ, বর্ণের সাথে মানানসই। ব্যস, হইহই করে চায়ের বিক্রি বেড়ে গেল।

    এবার বাড়ির অন্দরমহলে ঢুকে পড়ার জন্য চায়ের বিজ্ঞাপনে আমূল পরিবর্তন করা হলো। এতদিন দেখানো হচ্ছিল সাহেব-মেমরা একসাথে টেবিলে বসে চা খাচ্ছে। সেই ভিসুয়াল বদলে গিয়ে দেখানো হলো, সনাতন সুগৃহিণী শাড়ি পরে পরিবারের সবাইকে চা পরিবেশন করছে আর বাড়ির ভদ্রলোকটি ধুতি পাঞ্জাবি পরে সেই চায়ের স্বাদ উপভোগ করছেন। এতে কী বোঝানো হলো? চা একটি স্বদেশী পানীয়। আধুনিক সুগৃহিণীরা চা পরিবেশন করেন এবং চা পরিবারের সবাইকে এক জায়গায় ধরে রাখে।

    শুধু রেল স্টেশন কেন, ছোট ছোট টি-ভ্যানে করে চা-কে ছড়িয়ে দেওয়া হলো হাটে-বাজারে, মেলায় , বড়ো বড়ো জনসমাবেশ এবং কারখানাগুলোতে। মজার কথা, কারখানাগুলোতে সাহেবরা বাধ্যতামূলকভাবে বিকেলে টি-ব্রেক দিতে শুরু করল। মানে তুমি সারা দিন পরিশ্রম করেছো, এবার একটু জিরিয়ে নেওয়া এবং সাথে এক কাপ গরম চা খাওয়া তোমার প্রাপ্য। এটা আমেরিকার কলকারখানাগুলোতে ইভনিং কফি ব্রেকের আইডিয়া থেকে এসেছিল। ভারতীয় শ্রমিকদের উদ্যোগে অচিরেই বিকেল চারটের সেই ইংলিশ-টি-ব্রেক, চায়ে-নাস্তা-ব্রেকে রূপান্তরিত হলো। চায়ের সাথে আমাদের গরম পাকোড়া বা সামোসা না হলে কি চলে? সারা ভারতে সেই চায়ে-ব্রেক আজও খুব জনপ্রিয়।

    বিজ্ঞাপনে ও প্রচারে উঠে এল চায়ের বিবিধ গুণাগুণ। চা শরীর ও মনকে সতেজ করে, ক্লান্তি দূর করে, কাজের শক্তি বাড়ায়, কর্মক্ষমতা ও বুদ্ধি বাড়ায়। শেষ পর্যন্ত বলা হলো যে, চা আসলে আপনার স্বাস্থ্যর জন্য খুব ভালো! একটা ঔপনিবেশিক পণ্যকে বিজ্ঞাপন ও বিপণনের গু্ণে কীভাবে ধীরে ধীরে একটা স্বদেশী ও দৈনন্দিন পণ্যে পরিণত করা যায়, চা তার সবথেকে বড় উদহারণ।

    ক্রমে চা উঠে এল আমজনতার রাজনৈতিক মিটিং-মিছিলে, বড়বাবু ও অফিস আর্দালির টিফিন ব্রেকে, কলকারখানায়, কলেজ ক্যান্টিন থেকে পাড়ার রকে, প্রেমিক-প্রেমিকার একান্ত সময় যাপনে, মধ্যবিত্তের দাম্পত্য জীবনে এবং অতিথি আপ্যায়নে, উৎসবে, সমস্ত রকম সামাজিক অনুষ্ঠানে। চা আজ আমাদের সুখ-দুঃখের বন্ধু, আমাদের আবেগ ও স্বপ্ন দেখার সাথী, এবং সেই সঙ্গে অসংখ্য মানুষের জীবিকার আশ্রয় ও ভরসা।

    তাই কাক-ভোরবেলায় কোনো এক অচেনা স্টেশনে ট্রেন থেমে গেলে ঘুম ঘুম চোখে যে ডাকটি আজও আমাদের সব থেকে মিষ্টি লাগে সেটি হলো,

    “এই চায়ে - চায়ে - চায়ে গরম…”

    তথ্যসূত্র

    ইন্ডিয়ান টি এসোসিয়েশন এবং টি বোর্ড ইন্ডিয়ার প্রকাশনী, ভারত সরকার

    উইকিপিডিয়া



    অলংকরণ (Artwork) : লেখক
  • মন্তব্য জমা দিন / Make a comment
  •   (?)
  • মন্তব্য পড়ুন / Read comments