



কথামুখ
‘ননসেন্স’ কথাটা আমরা সাধারণত কোনো কিছুকে খারিজ করার জন্যেই ব্যবহার করি। কোনো কিছুকে (কোনো বই, চলচ্চিত্র বা কারো বক্তব্য) ‘ননসেন্স’ বলা হলে আমরা বুঝি, ওই বই, সিনেমা বা বক্তব্য পুরোপুরি অর্থহীন, যা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করার কোনো মানে নেই। কিন্তু সাহিত্যের আলোচনায় ‘ননসেন্স’ বা ‘উদ্ভট রচনা’ বলতে বোঝায় এমন একটা লেখা যা আপাতদৃষ্টিতে অর্থহীন হলেও তার তাৎপর্য আছে। বাস্তবের তোয়াক্কা না রেখে লেখকের বলগাহীন উদ্দাম কল্পনার বহিঃপ্রকাশ ননসেন্স রচনা — আমাদের হাসায়, কাঁদায়, ভাবায়। ইউরোপের সাহিত্যের ইতিহাসে ঊনবিংশ শতক থেকেই বিভিন্ন ধরনের ননসেন্স রচনার দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়। তুলনামূলক ভাবে, বাংলা সাহিত্যে ননসেন্স রচয়িতাদের সংখ্যা খুবই কম। সুকুমার রায়ের (১৮৮৭-১৯২৩) আবোল-তাবোল এবং হ-য-ব-র-ল আমরা বারবার পড়েছি, বারবার পড়ি। কিন্তু সুকুমার রায়ের আগেই যিনি বাংলায় সার্থক ননসেন্স রচনার নিদর্শন রেখে গেছেন সেই ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়কে (১৮৪৭-১৯১৯) আমরা মনে রাখিনি।
সংক্ষিপ্ত জীবনী
ত্রৈলোক্যনাথের জন্ম হয়েছিল উত্তর ২৪ পরগণার শ্যামনগরের কাছে রাহুতা গ্রামে ১৮৪৭ সালের ২২শে জুলাই তারিখে। পড়াশুনোয় ভালো ছিলেন। ক্লাশ এইট পর্যন্ত পড়েছিলেন। কিন্তু প্রথাগত শিক্ষা আর চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি মূলত অর্থাভাবে। তা বলে নিজেকে সরস্বতীর কৃপা থেকে বঞ্চিত রাখেননি। বাংলা ইংরেজি ছাড়াও নিজের চেষ্টায় শিখেছিলেন সংস্কৃত, হিন্দি, ফারসি, উর্দু ও ওড়িয়া ভাষা। বিজ্ঞানের প্রতি প্রবল আগ্রহ ছিল। নিজের চেষ্টায় বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় (Chemistry, Geology, Zoology, Botany) সম্বন্ধে পরিচিত হয়েছেন। এই স্বার্জিত শিক্ষা কাজে লেগেছে। স্কুল-শিক্ষা সম্পূর্ণ না হলেও শিক্ষকতার সুযোগ পেয়েছেন বিভিন্ন জায়গায়। উড়িষ্যায় থাকাকালীন পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর, পরে দারোগা হিসেবে কাজ করেছেন। সম্পাদনা করেছেন একটি ওড়িয়া পত্রিকা (উৎকল পত্রিকা), চাকরি করেছেন বেঙ্গল গেজিটিয়ার অফিসে, দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে কৃষি বাণিজ্য বিভাগে, ভারত সরকারের রাজস্ব ও কৃষি বিভাগে। কর্মজীবনের শেষ প্রান্তে কলকাতার ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে সহকারী সংগ্রাহকের চাকরি করেছেন এবং স্বাস্থ্য- সমস্যায় জর্জরিত হয়ে এখান থেকেই ১৮৯৬ সালে মাত্র ৪৯ বছর বয়সে পেনশন সহ অবসর গ্রহণ করেছেন।
দারিদ্র্যের নিষ্পেষণ থেকে স্বদেশসেবার প্রেরণা-লাভ একসময় জীবিকা-অর্জনের চেষ্টায় এই মানুষটি কী অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করেছেন ভাবা যায় না। খালি পেটে মাইলের পর মাইল হেঁটেছেন। কখনো চিঁড়ে, নুন আর লঙ্কা খেয়ে, কখনো শুধু রাস্তার পাশের গাছ থেকে পাড়া তেঁতুল পাতা খেয়ে বা বুনো কুল খেয়ে হাঁটবার শক্তি সঞ্চয় করেছেন, কখনো শুধু জল খেয়ে শরীর ঠান্ডা করেছেন। দুর্ভাগ্য তাঁকে অনুসরণ করেছে ছায়ার মতো। কখনো আশ্রয়দাতার ঘরে আগুন লেগে রান্না করা ভাত-ডাল নষ্ট হয়ে গেছে, কখনো ঝড়ে নৌকোডুবি হয়ে মরতে মরতে বেঁচে গেছেন। নিরন্ন বুভুক্ষু মানুষের কষ্ট অনুভব করেছেন অর্জিত অভিজ্ঞতা থেকে। এটাও লক্ষ করেছেন এদেশের অধিকাংশ মানুষই অত্যন্ত আত্মকেন্দ্রিক। ‘যাহাতে দেশের দুঃখমোচন হয়, এরূপ চিন্তা অল্পলোকেই করিয়া থাকেন।’ — তাই মনে মনে প্রতিজ্ঞা করেছেন ,’যাহাতে এই স্বর্ণভূমি ভারতভূমিতে দুর্ভিক্ষ উপস্থিত না হইতে পারে, এইরূপ কার্যে আমার মনকে আমি নিয়োজিত করিব। সেই দিন হইতে এই সম্বন্ধে যাহা কিছু শিখিবার আবশ্যক, শিখিতে লাগিলাম।’
একসময় তিনি জানতে পারলেন গাজরের চাষ করে এবং গাজর খেয়ে দুর্ভিক্ষ-পীড়িত মানুষের প্রাণরক্ষা হতে পারে। প্রচুর পরিশ্রম করে এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে সরকারকে জানালেন। দু-বছর পরে যখন উত্তর ভারতের বিভিন্ন জায়গায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিল, বহু লোক গাজর খেয়ে বেঁচে গেল। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একসময় বেশ কিছু কুটির শিল্পজাত জিনিসের (কারুকার্য-খচিত রেশমের কাপড়, পেতলের জিনিস, সূচের কাজ) চাহিদা ছিল। পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে এইসব জিনিসের বাজার বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছিল। ত্রৈলোক্যনাথ তাঁর উর্ধ্বতন কর্মচারী এডওয়ার্ড বক-কে বলে সরকারের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে এইসব জিনিস কিনে একটি হোটেলে বিক্রির ব্যবস্থা করলেন। হোটেলে যে-সব বিদেশীরা আসতেন তাঁরা উপহার দেবার জন্যে এইসব জিনিস কিনে নিলেন। সরকারের ঋণ শোধ দিয়েও বেশ কিছু লাভ হল। হোটেল মালিক এবার নিজেই এইসব জিনিসের ব্যবসা শুরু করে দিলেন। দেশের অনেক জায়গাতে ত্রৈলোক্যনাথ এইভাবে ভারতীয় কারুকার্যের বাজার চাঙ্গা করতে সাহায্য করেছেন। বিদেশ থেকে টাকা এসেছে। শিল্পীরা লাভবান হয়েছেন। জনহিতকর কাজ করতে গিয়ে মাঝে মাঝে বিপদ হয়েছে। দুর্ভিক্ষ-পীড়িত রাজঘাটে (হরিদ্বারের কাছে) ১৮৭৭-৭৮ সালে যব কিনে বিতরণ করতে গিয়ে তাঁর সব টাকা ফুরিয়ে গেল। এলাহাবাদ ফেরার গাড়িভাড়াও রইল না। কোনোরকমে টাকা ধার করে একটা থার্ডক্লাশের টিকিট কিনলেন। নিজের কাপড়চোপড়ের বাক্স সঙ্গে নিতে পারলেন না, মালগাড়িতে পাঠাতে হল। সেসবও চুরি হয়ে গেল।
বাংলা বিশ্বকোষ প্রকাশ
পাশ্চাত্য দেশগুলিতে তখন জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা প্রবল গতিতে এগিয়ে চলছে, অথচ দেশের অধিকাংশ মানুষই ডুবে আছে অন্ধকারে। ইংরেজি না জানায় পাশ্চাত্য থেকে আসা জ্ঞানের প্রবাহ তাদের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। জন্মভূমি রাহুতা গ্রামে তিনি ও তাঁর দাদা রঙ্গলাল একটি ছাপাখানা খুললেন। এই দুজনের উদ্যোগে বাংলা ১২৯১ সালে একটি বাংলা বিশ্বকোষ প্রকাশিত হতে শুরু করল। বেঙ্গল লাইব্রেরির গ্রন্থাগারিক মন্তব্য করলেন ‘It is perhaps the first compilation of its kind in the Bengali language.’ পরে নগেন্দ্রনাথ বসুর ওপর এই প্রকাশনার দায়িত্ব পড়ে। মোট ২৭ বছর ধরে (১২৯১-১৩১৮ বঙ্গাব্দ) বিশ্বকোষের ২২টি খণ্ড প্রকাশিত হয়। বইগুলি শিক্ষিত জনসাধারণের কাছে বিশেষ সমাদৃত হয়।
সাহিত্য-কীর্তি
ত্রৈলোক্যনাথের সাহিত্য-কীর্তির বিস্তারিত আলোচনা এই প্রবন্ধের স্বল্প-পরিসরে সম্ভব নয়। তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই ‘কঙ্কাবতী’ (১৮৯২) একটি উপন্যাস এবং সর্বশেষ বই ‘ডমরু-চরিত’ (১৯২৩) একটি গল্পগ্রন্থ। এর মাঝে প্রকাশিত হয়েছে গল্পগ্রন্থ ‘ভূত ও মানুষ’ (১৮৯৬), গল্পগ্রন্থ ‘ফোকলা দিগম্বর’ (১৯০১), গল্পগ্রন্থ ‘মুক্তামালা’ (১৯০১), উপন্যাস ‘ময়না কোথায়’ (১৯০৪), ‘মজার গল্প’ (১৯০৬), উপন্যাস ‘পাপের পরিণাম’ (১৯০৮)। এইসব রচনার প্রধান উপাদান হাস্যরস, ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ এবং উদ্ভট-রস। এ ছাড়াও তিনি লিখেছেন একাধিক ইংরেজি বই [Art-manufactures of India (1888), A Visit To Europe (1902), Hand-book of Indian Products (Art-manufactures and Raw Materials) (1883)], ‘বিজ্ঞান বোধ’ এবং কয়েকটি স্কুল-পাঠ্য বইও তৎকালীন সমাজ পেয়েছে তাঁর কলম থেকে। সন্দেহ নেই তিনি ছিলেন একজন কর্মবীর। বিভিন্ন পত্রিকাতেও (বঙ্গবাসী, জন্মভূমি) প্রকাশিত হত তাঁর রচনা। অকালে কর্মক্ষেত্র থেকে অবসর নিতে বাধ্য হয়ে তিনি বাড়তি সময়টা কাজে লাগিয়েছেন সাহিত্য-চর্চায়। তাঁর মতো কর্মদক্ষ মানুষের অবসর গ্রহণে বঞ্চিত হয়েছে তাঁর কর্মক্ষেত্র কিন্তু লাভবান হয়েছে বাংলা সাহিত্য ও সমাজ।
তাঁর শ্রেষ্ঠ সাহিত্য-কীর্তি ‘কঙ্কাবতী’ উপন্যাস পড়ে মুগ্ধ হয়ে মন্তব্য করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ‘এতদিন পরে বাঙ্গালায় এমন লেখকের অভ্যুদয় হইতেছে যাঁহার লেখা আমাদের দেশের বালক-বালিকাদের এবং তাহাদের পিতামাতার মনোরঞ্জন করিতে পারিবে।’ অধ্যাপক অসিত কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে তিনি ছিলেন ‘রোমান্স, কৌতুক, অদ্ভুত ও অবিশ্বাস্য ব্যাপারকে একত্রে মিশ্রিত করে নতুন স্বাদের রসসাহিত্যের আদি স্রষ্টা’ যাঁর সৃষ্টি ‘প্রায় প্রজাপতি ব্রহ্মার সৃষ্টির মতো অননুকরণীয়।’ সাহিত্যিক অরবিন্দ গুহ (ইন্দ্রমিত্র)-এর মতে তিনি বাংলা সাহিত্যের অনাবিল ব্যঙ্গরসের আদিস্রষ্টা।
আন্তর্জাতিক শিল্প প্রদর্শনীতে যোগদান
১৮৮৬ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শিল্প প্রদর্শনীতে ভারত সরকারের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ লাভ তাঁর জীবনে এক মর্যাদাপূর্ণ অধ্যায়। এর আগে ১৮৮৩ সালে এই সুযোগ এসেছিল। এছাড়া ১৮৭৫ সালে ইংল্যান্ড যাবারও আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তাঁর গুণগ্রাহী উর্ধ্বতন কর্মচারী স্যার উইলিয়াম হান্টার। এই দুটো সুযোগের কোনোটাই কাজে লাগাতে পারেননি ত্রৈলোক্যনাথ তাঁর কুসংস্কারাচ্ছন্না আত্মীয়-স্বজনের বাধায়, যাদের বিশ্বাস ছিল সাগর পার করলে ব্রাহ্মণের জাত যায়। ইংল্যান্ড থেকে ফিরে প্রায়শ্চিত্ত করতে হয়েছিল ত্রৈলোক্যনাথকে। গ্লাসগোয় এক আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর প্রস্তুতির জন্যে ১৮৮৭ সালে তাঁকে আবার আমন্ত্রিত হয়ে ইংল্যান্ড যেতে হয়েছিল। অধিকাংশ ভারতীয়দের কর্মদক্ষতা সম্বন্ধে তৎকালীন শ্বেতাঙ্গদের অপরিসীম অবজ্ঞা সর্বজনবিদিত। সে যুগে আমাদের সেই অতি-উন্নাসিক ঔপনিবেশিক প্রভুরাই, স্কুলের গণ্ডী না-পেরোনো ত্রৈলোক্যনাথকে বারবার আমন্ত্রণ করে নিয়ে যেতে চেয়েছেন নিজেদের দেশে। ত্রৈলোক্যনাথ শিক্ষিত হয়েছিলেন মূলত নিজের চেষ্টায়। তাঁর স্বশিক্ষার মান যে কতটা উঁচু ছিল বুঝতে অসুবিধে হয় না।
সারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছেন,থেকেছেন। মৃত্যুর একবছর আগে পুরীর সমুদ্রের ধারে ৩০০ একর জমি কিনেছিলেন একটা কলোনি তৈরি করে সাবান উৎপাদনে উপযোগী পোলাং তেলের চাষ করবেন বলে। সেই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। যে-বছর মারা গেলেন পুজোর আগে পুরী থেকে কলকাতায় এলেন। পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে পুরনো জামা-কাপড় সংগ্রহ করে সে-সব বিলিয়ে দিলেন গরিব-দুঃখীদের মধ্যে। ১৯১৯ সালের ৩রা নভেম্বর এই কর্মময় জীবনের ওপর নেমে এল মৃত্যুর যবনিকা। তাঁর জীবদ্দশাতেই সেযুগের এক বিশিষ্ট লেখক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় ‘বঙ্গভাষার লেখক’ (১৯০৪) গ্রন্থে এই ‘স্বাবলম্বনপ্রিয়, স্বাধীন-চেতা, অধ্যবসায়শীল এবং উদ্যোগী’ মানুষটি সম্পর্কে লিখেছিলেন ‘তিনি বহু কর্ম্মান্বিত বহু জনসমাদৃত, এবং বহু বিখ্যাত পণ্ডিত ব্যক্তি। অতি সামান্য অবস্থা হইতে ইনি আত্মোন্নতি এবং দেশের উন্নতি করিয়া ধন্য হইয়াছেন, — আজীবন শিল্প, কৃষি, বিজ্ঞানাদির অনুশীলনে ইনি দেশের টাকা দেশে রাখিবার প্রয়াস পাইতেছেন। ইনি স্বদেশজাত দ্রব্যের প্রতি লোকের আস্থা ও আদর বৃদ্ধি করিবার চেষ্টা করিতেছেন। আর আহ্লাদের কথা — এত কাজের ভিড়েও ত্রৈলোক্যবাবু স্বজাতীয় সাহিত্য সেবায় বিরত নহেন।’ খুব সংক্ষেপে হলেও হরিমোহন বাবুর মন্তব্যে স্বজাতির উন্নতিতে ত্রৈলোক্যনাথের বহুমুখী অবদানের এক সামগ্রিক চিত্র পাওয়া যায়।
শেষকথা
এই অকৃতজ্ঞ দেশের মানুষ তাঁকে জীবদ্দশায় কিছু দেয়নি, মৃত্যুর পরেও মনে রাখে নি। একসময় বিলেত যাবার অপরাধে শাস্তি পেতে হয়েছে তাঁকে। অথচ সারাজীবন তাদের কথাই ভেবেছেন তিনি; তারা যাতে খেতে পায়, স্ব-নির্ভর হয়, জ্ঞানের আলো থেকে বঞ্চিত না থাকে তার জন্যে সারা জীবন চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। ‘বিশ্বকর্মা যেখানে চারকোটি বাঙালি নির্মাণ করিতেছিলেন সেখানে হঠাৎ দু-একজন মানুষ গড়িয়া বসেন কেন’— রবীন্দ্রনাথের মতো আমরাও এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাই না।
তথ্যসূত্র
১) রহস্যালাপ: ইন্দ্র মিত্র, আনন্দ পাবলিশার্স, পৃ : ৭৪-১৩১, কলকাতা ১৪২০ বঙ্গাব্দ
২) ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় : সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান-প্রথম খণ্ড, পৃ : ২০১, জানুয়ারি ২০০২