• Parabaas
    Parabaas : পরবাস : বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • পরবাস | সংখ্যা ১০৪ | অক্টোবর ২০২৬ | রম্যরচনা
    Share  
  • কন্ঠ ছাড়ো জোরে : প্রিতম মুখোপাধ্যায়

    আমাদের একান্ত প্রিয় এক গায়ক জোরে কন্ঠ ছাড়ার ডাক দিয়ে যে কী বিপদে ফেলে দিয়েছেন বঙ্গসমাজকে, একেবারেই কহতব্য নয়। মানে যারা এখনও যথেষ্ট রকম কালা হননি তারা পড়েছেন এক সমূহ বিপদের মধ্যে। এমনিতেই গলাবাজির ব্যাপারে আমাদের ভালরকমই সুনাম ছিল তার ওপর এক বিখ্যাত গায়কের উদাত্ত আহ্বানে বাঙালির চিত্ত আরো প্রাণপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রাস্তাঘাটে বা বাসে-ট্রেনে আগে যেমন মানুষ গলা চেপে একটু রেখে-ঢেকে কথা বলতেন এখন গায়ক শিরোমণির অনুপ্রেরণায় সেই বদ-মিনমিনে অভ্যাস আমরা পুরোপুরি পরিত্যাগ করেছি। জোরে কন্ঠ ছেড়ে অন্য মানুষের চরম বিরক্তির কারণ ঘটিয়ে আমাদের সুসভ্য হওয়ার জয়যাত্রা বেশ জোর কদমে এগিয়ে চলেছে।

    এক সময়, মানে ধরা যেতে পারে বিগত শতাব্দের মাঝামাঝি নাগাদ, অনেকের যে বিঘাবিঘা জমিদারি ছিল সেই স্মৃতিমেদুর অতীত এখনও মনের মণিকোঠায় সযত্নে সঞ্চয় করে রেখেছি আমরা। তখন যেমন সিংদরজার সামনে দাঁড়িয়ে বড়বাবু সজোরে জলদগম্ভীর কন্ঠ ছেড়ে জানিয়ে দিতেন তার আগমন বার্তা, তেমনই আজও দীর্ঘ সাত দশক পেরিয়ে বাঙালি ভুলতে পারেনি সেই অতীত গৌরব। জোরে কন্ঠ না ছাড়লে না কি পুরুষ সিংহের আত্মপ্রকাশ সম্পূর্ণ হয় না।

    পায়রার খুপরির মতো ফ্ল্যাট-সভ্যতার চার দেওয়ালে আবদ্ধ হয়েও আমাদের সেই কন্ঠ আজও জমিদারি আমলের পরম্পরা বহন করে চলছে সযত্নে। এই বাংলার প্রমোটারকুল যবে থেকে ডেভলপার হিসেবে অভিষিক্ত হতে শুরু করেছেন, সেইসময় থেকেই পাশাপাশি গজিয়ে ওঠা দুটি ফ্ল্যাট বাড়ির নৈকট্য ক্রমে ডেভলপড হতে হতে, হাত বাড়ালেই বন্ধুর পর্যায়ে চলে এসেছে। ফলে এ-ফ্ল্যাটের রবিবাবুর দক্ষিণের জানলা হয়ে উঠেছে ও-ফ্ল্যাটের ছবিবাবুর উত্তরের বারান্দার নিকটতম খুপরি। ছবিবাবুর ধর্মপত্নী খুকুমনির আবার দৈনিক প্রাতঃকালে হনুমান চলিশার প্রথম থেকে শেষ লাইন পড়ার অভ্যাস। এবং খুকুমনির প্রপিতামহ বা তাঁর পূর্বপুরুষরা যেহেতু জমিদার ছিলেন তাই অবশ্যই চলিশা পাঠের কন্ঠ ছাড়া হত বেশ জোরে। ওদিকে এই কন্ঠ-আগ্রাসনের ধাক্কায় লেটরাইজার রবিবাবুর ভোরের ঘুম যেত চটকে। অবশেষে রবিবাবুর এক ছাত্র কলকাতার সি সি সাহার দোকান থেকে উন্নতমনের ইয়ারপ্লাগ এনে দেওয়ার পর সেটি কর্ণকুহরে সেঁটে দিয়ে নিষ্কৃতি।

    কিন্তু আমাদের যাদের উপযুক্ত ছাত্র নেই তারা পড়ে গেছি স্বখাতসলিলে। সৃষ্টিকর্তা বোধহয় কল্পনাও করতে পারেননি যে একদল মানুষের জোরে কন্ঠ ছাড়ার ফলে এমনই বিপাকে পড়ে যাবেন আর একদল শ্রুতিধর মানুষ। যদি তিনি ঘুণাক্ষরে বুঝতে পারতেন এমন গোষ্ঠীগত বিপাকে পড়তে পারে মনুষ্যকুল তাহলে অবশ্যই দুই কানে দুটি পর্দার ব্যবস্থা করে দিতেন। চোখের মতো আমাদের কানও যদি পর্দানসীন হত তাহলে স্রষ্টার কোন্ মহাভারত অশুদ্ধ হত কে জানে। এত যত্ন করে একেবারে যথাযথ জ্যামিতিক বিন্যাসে বৃহদান্ত, ক্ষুদ্রান্ত, যকৃত, প্লীহা সাজাতে পারলেন। নাক-কান-চোখের অভ্যন্তরীণ ভুলভুলাইয়া গড়ে তুলতে পারলেন অথচ বেমালুম ভুলে গেলেন কানে পর্দা লাগানোর ব্যাপারটা। যাক, সৃষ্টির সেই আদিকাল থেকে ভুল যখন হয়েই গেছে, কিছু করার নেই — সুতরাং ইয়ারপ্লাগই ভরসা।

    দিনের বেলা তবু জোরে কন্ঠ ছাড়ার প্রতিবেশি উৎপাত থেকে ভুলে থাকা যায় আপন কাজে। রান্নার শব্দ, রাস্তার হল্লা, গাড়ির গলাবাজিতে তবু ঢেকে যায় অবাঞ্ছিত কোলাহল কিন্তু অবস্থা করুণ হয় রাতের বেলা। বাইরের সব শব্দ বন্ধ। জেগে থাকে শুধু পাশাপাশি দুটি ফ্ল্যাট। মাঝে শুধু তিন ইঞ্চির সহজেভদ্য দেওয়াল। এরকম সঙ্গীন অবস্থা হলে পচাবাবুর দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা যেতে পারে। পাশের ফ্ল্যাটের দাম্পত্য কলহ মাঝের তিন ইঞ্চি হাইফেন পেরিয়ে প্রায় প্রতিরাতেই পচাবাবুকে অতিষ্ঠ করে তুলেছিল। প্রথমে ঘরের টিভি জোরে চালিয়ে শব্দের কাটাকুটিতে ঘুমের রাজ্যে ঢুকে পড়তে পারবেন বলে ভেবেছিলেন। কিন্তু ফল হল উল্টো। শব্দের এমন উত্থান-পতনে নিজের বাড়ির তো বটেই, উল্টো দিকের ফ্ল্যাটের শান্তিপ্রিয় শান্তিবাবুরও ঘুম গেল ছুটে। বাজার যাওয়ার পথে একদিন শান্তিবাবু মৃদু অনুযোগ জানালেন। কাছাকাছি ক্লিনিক আছে এমন দুজন ইএনটির নামও বলে দিলেন উপকারী প্রতিবেশি হিসেবে।

    ইশারাই কাফি হ্যায়। অগত্যা পচাবাবুকে ভাবতে হল অন্য উপায়। শান্তিবাবুর মতো নির্বিরোধী মানুষের সামান্য অনুরোধটুকু রক্ষা করা দরকার। হঠাৎই পচাবাবু একদিন আবিষ্কার করলেন যে তার পরিচিত এক চায়ের দোকানের সিলিং ফ্যানটি বেশ শব্দবহুল। দোকানে চা খেতে বসলে রাস্তার কোনো শব্দই কানে ঢোকে না, দিব্যি নিজেদের মধ্যে রাজাউজির বধ করা যায়। এক ইলেকট্রিক মিস্ত্রীর থেকে পচাবাবু জানতে পারলেন যে ম্যাডান স্ট্রীটের গাঁটকাটা গলিতে না কি এমন বাঙ্ময় পাখা পাওয়া যাবে। সেই গাঁটকাটা গলি থেকে একটা ঘ্যাড়ঘ্যাড়ে শব্দময় টেবল ফ্যান কিনে আনলেন। মাঝের তিন ইঞ্চি দেওয়াল ঠেসিয়ে একপাশে রেখে দিলেন টুলের ওপর। যাকে বলে একেবারে ম্যাজিকের মতো কাজ হল। তিনদিনের মধ্যে পাশের কলহপূর্ণ ফ্ল্যাট একেবারে শান্তিনিকেতন হয়ে গেল।

    একটা অচিন্তনীয় সমস্যার এমন অভূতপূর্ব সমাধান হয়ে যাওয়ার আনন্দে পচাবাবুও সস্ত্রীক পাড়ি দিলেন আসল শান্তিনিকেতনে। হরিশ মুখার্জি রোডেরটা নয়, রবিঠাবুরের পীঠস্থানে। ট্রেনের সংরক্ষিত আসনে বেশ গুছিয়ে বসার পর পাশে আসন গ্রহণ করল এক ঝাঁ-চকচকে যুবক। সামান্য পরে ট্রেন ছাড়ল। পচাবাবুর প্রিয় খাদ্য বাদামভাজা বার করে দুজনে খেতে শুরু করলেন। দুলকি চালে চলতে চলতে একটু গতি বাড়ল ট্রেনের। পচাবাবুর কানে এল ছেলেটি একা একাই কথা বলছে। শুধু কথাই নয় আপনমনে হাসছে, আবার তর্কও করছে বাংলা ইংরিজি মেশানো এক জগাখিচুড়ি ভাষায়। বেশ দুঃখ হচ্ছিল — এমন সুন্দর চকচকে একটা ছেলে কি না পাগল। ছোটোবেলায় পাড়ার পুলিন পাগলা এমন একা একা কথা বলতো। পাশে এক জলজ্যান্ত পাগল নিয়ে এতটা সময় যেতে হবে বলে একটু আতঙ্কিতও হয়ে পড়েছিলেন।

    ভুল ভাঙল সামান্য পরে। ছেলেটি দুকান থেকে দুটি ঠুলি বার করে পকেটে রেখে একটা ইংরিজি ম্যাগাজিনে মনঃসংযোগ করল। সহযাত্রীটি সুস্থমস্তিষ্কসম্পন্ন এক স্বাভাবিক মানুষ জেনে আশ্বস্ত হলেন পচাবাবু। কিন্তু সেই শান্তি ছিল ক্ষণিকের অতিথি। ম্যাগাজিন দেখতে দেখতেই যেন পরম বিস্ময়কর কিছু আবিষ্কার করে লাফিয়ে উঠল ছেলেটি। চকিতে এঁটে নিল ঠুলিদুটি। ওপ্রান্তের সংযোগের জন্য সামান্য অপেক্ষা করার পর শুরু হল কন্ঠ ছাড়ার মহৎ কর্ম। কোনোও এক নায়িকা সম্পর্কে এমন উত্তেজক খবর প্রকাশিত হয়েছে যে অপর প্রান্তের বন্ধুটির সঙ্গে সেই শিহরন ভাগ করে না নিলে আনন্দের ষোলো কলা পূর্ণ হচ্ছে না।

    কিন্তু মুশকিল হয়েছে মতের অমিল নিয়ে। ওপ্রান্তের বন্ধুটি কিছুতেই মানতে চাইছে না খবরের সত্যতা। ক্রমশ এপ্রান্তের ভল্যুম কন্ট্রোল নিয়ন্ত্রণের গণ্ডি পেরিয়ে যাচ্ছে। পচাবাবুর পাশে বসা ছেলেটি কিছুতেই মানতে চাইছে না যে ম্যাগাজিনে উল্লেখিত নায়িকা ব্যাভিচারিণী নয়। ওই সুন্দরী নায়িকা যখন এক দাতব্যশীল নায়কের সঙ্গে এক ছাতের তলায় ছটা মাসও থাকতে পারেনি তখন যে অবশ্যই একজন বহুবল্লভা স্বৈরিণী। পচাবাবুর স্ত্রী জানলা দিয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে আছেন। কিন্তু পচাবাবুর অবস্থা খুবই সঙ্গীন। জোরে কন্ঠ ছাড়ার অভিঘাতে তার প্রায় ছেড়ে দে খোকা প্রাণে বাঁচি অবস্থা। মাঝে এক বাউল উঠেছিল, জমিয়ে ধরছিল ‘তোমায় হৃদমাঝারে রাখব ছেড়ে দেব না’ — কিন্তু যুবকটির জোরে কন্ঠ ছাড়ার পাশে হৃদমাঝারে রাখার বাসনা বেশিক্ষণ টিঁকতে পারল না।

    বোলপুরের একটু আগে শেষ হল দৃশ্যমান বন্ধুর সঙ্গে অদৃশ্য বন্ধুর ম্যারাথন গলাবাজি। যেন ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ল পচাবাবুর। যেকোনো ভালো কথা কোটেশান চিহ্ন ছাড়া রবিঠাকুরের নামে চালিয়ে দেওয়া যায়, আর জায়গাটা যখন শান্তিনিকেতন তখন বলাই যায় যে আমাদের রবিঠাকুর বলেছিলেন, সকল কর্মেরই ভালো এবং মন্দ দুইপ্রকার অভিমুখ থাকে। এমন কথা অবশ্য রবীন্দ্রনাথও বলতে পারেন, আইনষ্টাইনও বলতে পারেন বা কাল মার্কসের পক্ষেও বলা সম্ভব। এক্ষেত্রে কবিগুরুর নামে চালিয়ে দেওয়াই ভালো।

    জোরে কন্ঠ ছাড়ারও যে একটা সুফল আছে তা বোঝা গেল পরের দিন। মহৎ মানুষের কথা হাতেনাতে ফলে গেল পচাবাবুর সামনে। পচাবাবুর স্ত্রী সূচনা দেবীর বদ্ধমূল ধারণা, খোয়াইয়ের হাট নামক যে ইমিটেশন হাট চলে রবিঠাকুরের তীর্থক্ষেত্রে সেখান থেকে কিছু কেনাকাটা না করলে শান্তিনিকেতন ভ্রমণ বৃথা। সূচনাদেবীর বোন রচনা না কি এই হাট থেকে এমন ছ-পকেটওলা ম্যাক্সি নিয়ে গেছে যে গড়িয়াহাটের ফুটপাথ তার কাছে নস্যি। তলার ফ্ল্যাটের টিকলি এমন একটা টিপের পাতা কিনেছিল যা জোনাকির জল দিয়ে তৈরি। অন্ধকারে ঝিলিক মারে। পুরীর যেমন খাজা, শান্তিনিকেতনে তেমন খোয়াইয়ের হাট। অগত্যা পরের দিন বিকেলেই সূচনাদেবী স-স্বামী হাজির হলেন সেই আকর্ষণীয় অকুস্থলে।

    পচাবাবু জানতেন যে তার স্ত্রীর বদভ্যাস হল সারা বাজার চষে ফেলার পর সেই জিনিসটিই কিনবেন যেটি একেবারে প্রথমে দেখেছিলেন এবং তখন এক পলকেই সেটি সবচেয়ে অখাদ্য জ্ঞানে বাতিল করেছিলেন। কারও কারও বিলম্বে বোধদয় হয়। নিজস্ত্রীকে তেমনই বিলম্বিত গোত্রীয় বলে ধরে নিয়েছিলেন পচাবাবু।

    সুতরাং পুনর্মূষিক ভবঃ। নানান ঘুরপাকের পর পচাবাবু সস্ত্রীক এসে হাজির হলেন সেই বাটিকের চাদর বিক্রেতার কাছ। দেখতে চাইলেন আগের দেখা বাটিকের চাদরটা। জানা কথা যে কেনাকাটার ক্ষেত্রে রিপ্লে সবচেয়ে খাজা ব্যাপার। অগত্যা বিক্রেতা যে দাম আগে বলেছিল সেই আনফিক্সড প্রাইস এখন শ্যামস্টীল ঢালাইয়ের মতো ফিক্সড হয়ে গেল। সাড়ে চারশো টাকার এক পয়সা কমে দেবে না চাদরটা। অগত্যা মানি ব্যাগ থেকে টাকা বার করতে উদ্যত হলেন পচাবাবু। সহসা দৈববাণীর মতো ভেসে এল ট্রেনে দেখা সেই ছেলেটির কন্ঠ— ‘‘আরে তোর বাইরের রুমে যে বাটিক চাদর দেখেছি একদম সেম জিনিস। দাম বলছে সাড়ে চারশো … তুই তো খোয়াইয়ের হাট থেকেই কিনেছিলিস … রাইট রাইট মাঠে ঢুকেই ডানদিকে, মাদুরের দোকানের পাশে … বিলকুল, চাইনিজ টাইপ মুখ … ভাব কেসটা, সাতদিন আগে যেটা দুশো দিয়ে কিনেছিলিস সেই একই মাল পুরো ডবল হয়ে গেল।’’

    এতদিন কন্ঠ জোরে ছাড়ার অপকারিতা হজম করার পর, এবার পচাবাবু একেবারে কানে-গরম পেয়ে গেলেন চরম উপকারিতা। দৈববাণীর অনুপ্রেরণায় পচাবাবু বেশ জ্বালাময়ী কন্ঠে বলে উঠলেন, ‘টু হান্ড্রেড — দুশো দেব চাদরের দাম। নট আ ফার্দিং মোর।’ মিনিট পাঁচেকের দড়ি টানাটানির পর দুশো পঁচিশ টাকায় মোক্ষলাভ হল পচাবাবুর। সাড়ে চারশোর চাদর দুশো পঁচিশে পাওয়া গেল বলে কত লাভ হল সেই মেন্টাল ম্যাথ করতে পারলেন না পচা বাবুর কে সি নাগ বিচ্যুত স্ত্রী কিন্তু খুশিতে ডগমগ হয়ে উঠলেন।

    বাড়ি ফিরে সদ্য কেনা চাদর পেতে বিছানায় গা এলিয়ে দিলেন পচাবাবু। মনে পড়ল ছোটোবেলায় লিখেছিলেন রচনা ‘বিজ্ঞান অভিশাপ না আশীর্বাদ’ এখন এই সাড়ে তিন কুড়ি বয়েসের পর কানের ভিতর দিয়া মরমে পশিল সেই কথার সার্থকতা। আগে অভিশাপ তারপর আশীর্বাদ — আমদের মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কথা ধার করে বলতে হয়, এটাই ক্রোনোলজি।



    অলংকরণ (Artwork) : রাহুল মজুমদার
  • মন্তব্য জমা দিন / Make a comment
  •   (?)
  • মন্তব্য পড়ুন / Read comments