• Parabaas
    Parabaas : পরবাস : বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • পরবাস | সংখ্যা ১০৪ | অক্টোবর ২০২৬ | গ্রন্থ-সমালোচনা
    Share  
  • ঘুমের বড়ির মতো তারা: অনুত্তম বিশ্বাসের কবিতা নিয়ে দুচার কথা : সমরেশ মণ্ডল

    বাজো হে তেপান্তরী; — অনুত্তম বিশ্বাস; প্রকাশক— ধানসিড়ি, কলকাতা -৭০০০৫০; প্রচ্ছদ- সেঁজুতি বন্দ্যোপাধ্যায়; প্রথম প্রকাশ- সেপ্টেম্বর ২০২৫; ISBN: 978-93-6133-737-6

    অনেক সময় খুব কাছের তারা বা নক্ষত্রকে চিনতে পারা যায় না বা আবিষ্কার করা যায় না। এ কথা বারবার মনে হয় এই কবির লেখা পড়তে বসলে। তার ছোটোবেলা কেটেছে দুবরাজপুর নামক একটি আধাশহরে। যেখানে তার দাদু ডাক্তার, চেম্বারও রয়েছে। দিদিমা খ্যাতনামা সাহিত্যিক আশালতা সিংহ। বলাই বাহুল্য সবাই জানেন, তিনি ‘অমিতার প্রেম’ উপন্যাস লিখে রাতারাতি সাহিত্যিক হিসাবে চিহ্নিত করেন নিজেকে। তখন তাঁর বয়স মাত্র ১৬ বছর। স্বামী ছিলেন ডাক্তার, দ্বিজেন্দ্রনাথ সিংহ। শুধু মাত্র ডাক্তার নয়, জমিদার। তো সেই লেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পড়ে বলেছিলেন, ‘আশার মনন শক্তির মধ্যে অসাধারণত্ব আছে…’ । দেখা করতে চেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ, কিন্তু ব্রাহ্মদের বাড়ি গিয়ে দেখা করার অনুমতি মেলেনি শ্বশুরবাড়ি থেকে। তবে আমরা আজ যে মানুষটির কথা বলতে বসেছি তাঁরও ছোটোবেলা কেটেছে দুবরাজপুরেই। এই আধা মফস্সল শহরের বুকে ছোটো থেকেই ইনি সাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন। তিনি অনুত্তম বিশ্বাস হলেও ছোটদের কাছে ‘ভণ্ডুলদা’।

    আমার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে পরিচয় ১৯৭১ সালে, তার আগে দুবরাজপুরের বন্ধুদের কাছে শুনতাম ভণ্ডুলদার কবিতা লেখার কথা। ঐ সময় বন্ধু সুবীর ঘোষের সূত্রে শান্তিনিকেতন গিয়ে দেখলাম সাইক্লোস্টাইল পেপারে হাত-লেখায়, সেই ঐতিহ্যবাহী পত্রিকা ‘সাহিত্যিকা’। সাইক্লোস্টাইলে ছাপা তখন খুব একটা প্রচলিত ছিল না মফস্সলে, সেখানে অনুত্তমদার কবিতা ছাপা অবস্থায় দেখলাম এবং তার নাম ‘বাজো হে তেপান্তরী’! কী অদ্ভুত শিরোনাম! পরে প্রকাশিত কবিতার বইটির নামও তাই। এই দেয়াল পত্রিকার সূত্রেই খুব সুন্দর স্পষ্টাক্ষরের হাতের লেখা, মনা নামের এক ছাত্রের কথা মনে আছে। এই মনা কম বয়সেই ‘দেশে’ গল্প লিখেছিল। তার পোশাকি নাম সিদ্ধার্থ রায়। সে ছিল দেবেশ রায়ের ভাই।

    অনুত্তম বিশ্বাস বিশ্বভারতী থেকে বাংলা নিয়ে পড়াশোনা শেষ করে দমকল বিভাগের আধিকারিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তারপর মেদিনীপুরের ঘাটাল শহরের রবীন্দ্র শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ে অধ্যাপনার জীবন শুরু করেন। সঙ্গীতভবন থেকেও অর্জন করেছিলেন ডিগ্রি।

    দুই

    ‘বাজো হে তেপান্তরী’র প্রবেশক কবিতায় প্রকাশিত ছন্দে মিলে গাঁথা একটি রূপকের নির্মিতি দেখি—

    ‘বাঘ ঢুকেছে গাঁয়ের ভিতর, গাঁ ছেড়ে আর যায় না
    খিদে পেলে চিবোয় কেবল চিন্তামণির আয়না
    আয়না ভাঙে, ছায়াও ভাঙে, স্তম্ভিত গ্রামবাসী
    বাঘের চোখে চোখ রেখেছে চিন্তামণি দাসী।’
    সেই সময় প্রায়ই প্রতিটি উৎসবে শান্তিনিকেতন যাওয়া ছিল অবধারিত। তেমনই এক বসন্ত উৎসবের অনুষ্ঠানে গৌড় প্রাঙ্গণে কীভাবে যেন স্টেজে উঠে গেছি। সেখানে পাশাপাশি বসে আছেন অশোকতরু বন্দ্যোপাধ্যায়, সাগর সেন, অর্ঘ্য সেন আরো অনেকে। রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইছেন অনুত্তম বিশ্বাস। হয়তো কন্ঠস্বর কিংবা গায়কীর কোথাও মিল খুঁজে পেয়েছিলেন সাগর সেন। বললেন, ‘অরবিন্দ বিশ্বাসের ছেলে গাইছে।’ ততদিনে ভন্ডুলদা আমারও অনুত্তমদা হয়ে গেছেন। ওঁর সঙ্গে আরো বেশি গভীর পরিচয় হয় ‘পত্রাণু’ পত্রিকায় অণুগল্প, অণুকবিতা লেখার সূত্রে। সম্পাদক অমিয় চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কুমকুমদি, রবীন্দ্রসঙ্গীত গায়িকাও আসতেন। এই গান ছিল অনুত্তমদার প্রাণ। তাই তাঁর বিভিন্ন কবিতার অনুষঙ্গে উঠে এসেছে গানের কথা। ‘যাত্রার প্রাক্কালে’ কবিতাটি পড়তে পড়তে মনে পড়ছে সে কথা।
    ‘দুঃখকে সইয়ে নিলে সে কি আর দুঃখ থাকে?
    সে কি আর জন্ম দিতে পারে কোন স্মরণীয় কবিতার?
    অনেকদিন পর হারমোনিয়ামের ডালা খুলি ঝাড়পোঁছ হয়…’
    ‘এক ভীষণ মরুভূমি হুবহু আর-এক মরুভূমির দিকে যাত্রার প্রাক্কালে গান গেয়ে দূরে ছড়িয়ে থাকা উটেদের ডেকে ডেকে জড়ো করি…’

    কবি অনুত্তমের রক্তে অণুতে পরমাণুতে গান ‘আজ থেকে একশ বছর পরে’ কবিতায় মাত্র ছয়টি লাইন—

    ‘এয়ারপোর্টের কুয়াশার ভিতর দিয়ে ছুটে এসে
    জয়দীপের বুকে আছড়ে পড়ে তুফান রমলা।
    দোতলার ব্যালকনি থেকে তোমার বোন জানায়, তুমি নেই
    ফেরার সময় দুটি চোখ আমার জলে ভরে আসে।
    দুঃখ সুখের গান শুনতে চেয়েছিল কারা?
    শেষ হয়ে গেল ফ্রাংক সিনাত্রার বর্ণময় লম্বা জীবন।’
    কে এই ফ্রাংক সিনাত্রা? (১৯১৫-১৯৯৮) একজন মার্কিন গায়ক নায়ক, যাঁর ১৫০ মিলিয়ন রেকর্ড বিক্রি হয়েছিল সেই সময়। এই তথ্য জানার পর আমাদের কাছে বিস্ময় জাগে, যুগের থেকে কতটা এগিয়েছিলেন তিনি।

    ছন্দ মিলের ব্যবহার কবির কাছে ছিল করতলে আমলকিবৎ। কিন্তু তার ভেতরেই কোনো শব্দের মহিমা বুঝিয়ে দিত কবির জাত—

    ‘এ দেশে বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
    এ দেশে হঠাৎ নামে শীতের দুপুর
    চেয়ে থাকি ফুলে ফুলে ওড়ে প্রজাপতি
    বন্ধুরা কেউ নেই, কী এমন ক্ষতি?
    কিংবা ‘মুক্তি দিলাম’ কবিতায়—
    ‘রাজার সঙ্গে রাজকুমারীর একটুখানি তফাৎ আছে
    রাজা থাকেন রোদের ভিতর, রাজকুমারী ছায়ার কাছে।
    কোথায় তুমি? চতুর্দিকে বৃষ্টিপাতের চলচ্ছবি
    আয়ুষ্মতী ফুল ফুটেছে, ইতি তোমার মিথ্যে কবি।’
    কোথাও লুকোনো দুঃখ, কোথাও ছাপিয়ে যাওয়া অশ্রু মোচনের ভার মোক্ষণে কবিতার কাছে থেকেও অনুত্তমদা গানকেই আশ্রয় করার কথা ভেবেছেন। এই প্রবণতা বার বার ফিরে এসেছে তাঁর কবিতায়—
    ‘নষ্ট পাখি স্পষ্ট পাখি তীব্র পাখির টানে
    মুক্তি খোঁজে বিবেচনায়, মুক্তি খোঁজে গানে।’
    যখনই অস্থিরতা জেগেছে কবির, কবি আশ্রয় খুঁজেছেন শব্দে, অক্ষরে এবং অবশেষে কবিতার সমগ্র আধারে, তাই পড়তে পড়তে অনুভব করি ছোটো ছোটো আধার থেকে কীভাবে মুক্তি মিলেছে স্থিরতায়—
    ‘নতুন কেনা মারুতি ছুটিয়ে লরির পেটের ভিতর ঢুকে যাচ্ছি আমি।’
    কিংবা
    ‘দুজন সাঁতার-না-জানা ডুবন্ত মানুষ
    তলিয়ে যেতে যেতে পরস্পরকে খুঁজে পায়..
    তাদের ডুবে মরারই কথা কিন্তু মরে না বেঁচে ওঠে
    আর তাদের শরীর থেকে বিচ্ছুরিত হতে থাকে
    গোপন অহংকারের নীল-লাল আলো।’
    ভয়ের, আত্মঘাতের, অনিশ্চয়তার ভেতর ফুটে ওঠে কবিতার হাত, গানের ভিতর দিয়ে বেঁচে ফেরার আলো, যা কিনা মুক্তি-শান্তি-স্বস্তির বাইরে বেঁচে থাকার গোপন অহংকার! স্থিতধী আত্মসংযমী মানুষটি বাগানে একটি উঁচু শক্ত বৃক্ষের ডালে বাঁধা দোলনার কল্পনা থেকে বিস্মিত হয়ে লক্ষ করেন শুধু গাছ নয় সমগ্র ‘বাগান বড়ো স্থির’!

    তিন
    ‘তোমার চোখে মেঘের ছায়াছবি
    তুমি আমার দূরের বান্ধবী।’
    সেই বান্ধবী কি মৃদুলা? মনীষা? যে নামেই ডাকি, তিনিই কবিমানসী। ১৯৭৩ সালের ‘পত্রাণু’তে অনুত্তম বিশ্বাসের ‘সংসার’ নামের একটি অণুগল্প পড়েছিলাম। সেখানে লেখকের কল্পনায় শব্দ-সাকার হয়েছে একটি ছোটো স্টেশন, কলকাতা থেকে ট্রেন আসে আবার চলে যায়। একটি মিশনারি স্কুল, স্টেশনের কাছাকাছি। মূল চরিত্র দ্বয়ের সন্তান সেখানে পড়ে। পুরুষটির হঠাৎ একা একা দীঘা যেতে ইচ্ছা করে। সে সময়, বের হবার মুখে, চৌকাঠে দাঁড়িয়ে হঠাৎ সে শোনে, ঘুমের মধ্যে মনীষা তার ডাকনাম উচ্চারণ করছে। তার কোথাও যাওয়া হয় না।

    আবার যদি কবির উপন্যাস ‘নটে গাছটি জাগলো’ তে দেখি, সেখানে পুত্র নয়, উল্লিখিত হয়েছে তাদের কন্যার কথা— ‘ভোরের অস্ফুট আলো ছড়িয়ে পড়ার আগেই আমি বিছানা ছেড়ে উঠে পড়ি। প্রতিমা ঘুমিয়ে থাকে। প্রতিমার বুকের মধ্যে মাথা গুঁজে দিয়ে শিশু-কন্যাটি ঘুমায়। মুহূর্তের জন্য মনে হয়, বেশ তো আছি।’ কবির লেখায় মৃদুলা, স্বপ্নের কন্যাটির কথা অনেকবার উঠে এসেছে। ভাস্কর চক্রবর্তীর কবিতার চরিত্র ‘সোনাঝুরি’র মতো এখানেও দেখি, সেই স্নেহ মাখা ছবি—

    ‘উজ্জ্বল উপহারের অদূরে
    ফুলের মতো ওঁত পেতে আছে মৃত্যু
    মেয়েটির ফ্রকের রং রিবনের রং
    কিছুই মনে রাখিনি বলে আরও কিছুটা
    সময় পাওয়া গেল হয়তো।’
    উপন্যাসের প্রেক্ষিতে জীবন ও কবিতার, কাছাকাছি তাঁর বসবাসের সুরভি পাওয়া যায়। কবির মামা বাড়ির দাদু আগেই বলেছি, ডাক্তার ছিলেন। জমিদারও। বাড়িতে চাকর-বাকর ইত্যাদি যা যা থাকার কথা, ছিল—
    ‘সত্যর দাদু ছিলেন ডাকসাইটে ডাক্তার
    সত্য তার ছেলেবেলায়
    চাকরের কাঁধে চড়ে
    ঘুরে ঘুরে শহর দেখে বেড়াত।’
    কবিতার শেষ দিকে যা বলেছেন নিজের জীবনেও তাই-ই হয়—
    ‘আরো অনেক বছর পর প্রমাণ হয়ে যেতে পারে
    সত্য বলে কস্মিনকালেও কিছু ছিল না।’
    আবার ‘ঘোড়া’ নামের ছোটো একটি কবিতায় পাচ্ছি—
    ‘কাজে মন নেই। কি চায় ঘোড়া?
    দুঃখটি তার কি?
    গিরি বস্ত্রে অঙ্গ মোড়া
    চক্ষে জোনাকি।’
    এই গিরিবস্ত্রটা কি? এর কথা আজকের দিনে শোনাও যায় না! কিন্তু এলো কোথা থেকে? আসলে এটি পবিত্র বস্ত্র যা পূজা অর্চনা বা সান্ধ্য জপতপের জন্য ব্যবহৃত হত। মন্দিরে আরতির সময় অনেকেই পরিধান করে থাকেন। বলাই বাহুল্য যে, কবির মাতামহী লেখিকা আশালতা সিংহ পরবর্তীকালে সন্ন্যাসিনী আশাপুরী দেবী হয়েছিলেন। সুতরাং ‘গিরিমাটি’ শব্দটি কবির আয়ুষ্মান জীবনের অভিজ্ঞতা সঞ্জাত।

    চার

    যে কাব্যগ্রন্থ নিয়ে আমার পাঠ ও প্রতিক্রিয়া জানাতে বসেছি তার প্রথম কবিতা ‘রবীন্দ্রনাথ বৌঠান ও আমি’, এক অনিবার্য ফ্যান্টাসি মোড়া সৃজন। যেখানে আভূমি রবীন্দ্র আলোকে স্নাত কবি বলতেই পারেন—

    “রবীন্দ্রনাথের স্তব্ধতা ভেঙ্গে আমাকে বললেন,
    ‘এসো আলাপ করিয়ে দিই,ইনি আমার বৌঠান।’
    তারপর তাঁর বউঠানের দিকে ফিরে বললেন,
    ‘তোমাকে তো অনুত্তমের কথা আগেই বলেছি।’
    বৌঠান ও আমি পরস্পরকে নমস্কার জানালাম।”
    মৃদুলা অথবা মনীষা যে নামেই ডাকি, একদিন জীবনের সর্বস্বপণ করে বাঁচিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন কবিকে। কখনও বিমর্ষ হয়ে আঘাত করেছেন। তবুও মনের উদারতা যে বিষপাথরের মতো শুষে নিতে পারে সব দোষ, সব দ্বিধা, সব আঘাত। কবি কি জানতেন না সে কথা? খুব জানতেন।
    ‘আমার চিঠি পেয়ে মৃদুলা কোন অভিযোগ জানায় না,
    আমাকে নিয়ে গভীর প্রত্যাশাও অমলিন থাকে,
    শুধু বলে শোনো আমি তো মা বেশ্যা তো নই,
    আমাকে এমন ভাবে চিঠি লিখলে কেন গো?
    আমি মাথা নিচু করে মৃদুলার সামনে দাঁড়িয়ে থাকি,
    বুঝি মৃদুলাই আমার দিক্ পরিবর্তনের গোপন কথা।’
    এই কি সেই মেয়ের মা, যার বয়স কুড়ি, যাকে নিয়ে কবি বলছেন—
    ‘সেই রেখেছে আঙুল ভরা সুতো
    বিকেলবেলা ফুরিয়ে এল দ্রুত
    একটি মেয়ে নিষ্কলঙ্ক কুঁড়ি।’
    হয়তো এর সবই মায়া। নারী, নদী, আকাশ সবই তো রয়েছে কবিতার জগত জুড়ে। সত্যি সত্যি কি ছোঁয়া যায়, ছুঁয়ে থাকা যায়! বুঝতে হবে। কখন বোঝা যাবে? আদৌ যাবে কি?
    ‘একদিন খিদে চলে যাবে
    একদিন চাঁদ ডুবে যাবে
    রাস্তা পুকুর সব একাকার
    মৃদুলা নামে কেউ কোনদিন
    ছিল কিনা বোঝা যাবে তখনই।’
    প্রবেশক কবিতাটি ধরে ৫৫টি কবিতার এই বই, “বাজলো হে তেপান্তরী’। এছাড়াও আরো অনেক কবিতা, গল্প নিশ্চয়ই ছড়িয়ে থাকবে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়, আমাদের নজর থাকবে; নজর রাখতে বলবো প্রিয় পাঠকদের, আরো সমগ্রের আলো যাতে পড়ে আগামীর পাঠকের চোখে।
  • মন্তব্য জমা দিন / Make a comment
  •   (?)
  • মন্তব্য পড়ুন / Read comments