


এই যে সারাদিন অনর্গল কথা, ভেসে চলে প্রথাগত বায়বীয় পথে -
অথবা জলের বুকে নির্ভুল নিশানায় আছড়ে পড়া মাছরাঙা পাখির মত
নরম বুক টেনে বের করে আনে ক্রোধ, ঈর্ষা, অহংকারের রক্তিম মাংসপিণ্ড;
আমরা বাঁধতে চাই ওদের ত্রিভুজ, চতুর্ভূজ, সমান্তরিকের জ্যামিতি দিয়ে -
আর ওরাও অস্বীকার করতে চায় পাটিগণিতের সমস্ত বন্ধনী,
বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে এক মুখ থেকে আরেক মুখে, এক ভাষা থেকে আরেক ভাষায়,
উচ্চারিত,অনূদিত হতে হতে কিছু অনুমানের অবকাশ অবশ্য থেকেই যায়;
আমরা বৃথাই অর্থ বোঝার চেষ্টা করি, আসলে সবই তো শূন্যস্থান পূরণ।
একদিন ওরা সবাই মুক্তিবেগ পেয়ে যাবে,
পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ পেরিয়ে ধাবমান হবে মৃত্যুর অপেক্ষায় ছুটতে থাকা মহাকাশযানের মত;
ছায়াপথ জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকবে যুদ্ধ, হিংসে, প্রেম, যৌনতার গল্প -
স্মৃতির শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে কোনও এক নক্ষত্রের নশ্বর আগুনে;
ভাসানের কোলাহল শেষে আমাদের জন্য থেকে যাবে এক ঐশ্বরিক আদিম নীরবতা।