ISSN 1563-8685




লেখক ও শিল্পী পরিচিতি





ঐশী রায় এখনও ছাত্রী, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি পাঠরতা। হাওড়ার বাসিন্দা, বাংলা সাহিত্য ও ইতিহাসের কিছু পর্যায় নিয়ে আগ্রহ আছে। শখ লেখালিখি আর গান। ব্লগ - https://hiraethquest.wordpress.com/



অমিতাভ সেন পরবাস-এর শুরু থেকেই নানা কার্টুন, স্কেচ ও লেখা (ইংরেজিতে, যা বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে) দিয়ে আসছেন। শিকাগোর 'Spinor Capital LLC' নামের আর্থিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা। এর আগে অনেকদিন ধরে একটি সুইস ব্যাংকে কাজ করেছেন। তারও আগে, আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতাবাদের উপরে তাঁর গবেষণা কোয়ান্টাম মহাকর্ষের এক মৌলিক তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করেছে।



অতনু দে পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। জন্মসূত্রে কলকাতার, কর্মসূত্রে প্রায় পনেরো বছর কলকাতার বাইরে। কিন্তু অবসর সময় মন ঘুরে বেড়ায় সাহিত্যের খোলা আলো-ঝলমল বারান্দায়। নানান সময় নানান লেখালেখি করেছেন – কবিতা, প্রবন্ধ, কিন্তু গল্প লেখা এই প্রথম। সাহিত্য ছাড়া চলচ্চিত্র নিয়ে লেখালেখি করেছেন একসময়।



অমিতাভ প্রামাণিক বেঙ্গালুরুতে থাকেন।



অংশুমান অনেক বছর কর্পোরেট পরিবেশে প্রোগ্রামিং ক’রে এখন নিজের 'প্রারম্ভিক’ সংস্থার উদ্যোগে ব্যস্ত। সেটাই পেশা। তার সাথে নেশা বিচিত্র ও বহুমুখী।



অদ্রিজা ব্যানার্জী কলকাতার একটি কলেজে ইলেকট্রনিক্‌সের অধ্যাপক। নেশা--বই, বই, আর বই।



পেনসিলভানিয়া থেকে অনন্যা দাশ। প্রকাশিত বই Lingering Twilight (with photographs by Arunangshu Das), রামধনুর রূপকথা, পিকনিকে আতঙ্ক, হিরের থেকে দামী, ত্রি-তীর্থঙ্করের অন্তর্ধান, মার্কিন মুলুকে নিরুদ্দেশ, ইন্দ্রজালের নেপথ্যে, Bantul the Great (translation of Narayan Debnath's famous comic series)



অঞ্জলি দাশের জন্ম বাংলাদেশে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাইকোলজি-তে মাস্টার্সের পরে কলকাতায় চলে আসেন ১৯৭৮ সালে। কিশোর বয়েস থেলে লেখালিখি করলেও এ-পারে আসার পরে সিরিয়াসলি কবিতা লেখা শুরু করেন, ছোটো বড়ো নানা পত্রিকায়, পাশাপাশি গত কয়েক বছর গল্প-উপন্যাসও। 'বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার' ও 'পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি পুরস্কার' পেয়েছেন। ৫-টি কবিতা বই; দে'জ থেকে 'শ্রেষ্ঠ কবিতা'ও আছে তার মধ্যে।



অংকুর সাহা: কবিতা শ্রমিক, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক। গ্রন্থের সংখ্যা সাত।



অরুণ কাঞ্জিলাল-এর জন্ম (১৯৫৪) কলকাতায়। বিজ্ঞানে স্নাতক (১৯৭৫) হওয়ার পর তাঁর কর্মজীবনের শুরু। প্রথমে ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট, ইণ্ডিয়া (১৯৮১-১৯৮৬), অতঃপর সাহিত্য অকাদেমিতে যোগদান (১৯৮৬)-বিপণন সহায়ক হিসাবে। অসম, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, বিহার, আন্দামান সহ ভারতের নানা স্থানে অকাদেমির প্রতিনিধিত্ব করেছেন গ্রন্থপ্রদর্শনী ও বিপননে। বর্তমানে তিনি ঐ সংস্থার বিক্রয় আধিকারিক। সাহিত্যচর্চা করছেন গত এক দশক ধরে। গল্প লেখেন, পাঠকমহলে যা ইতিমধ্যে আগ্রহের সঞ্চার করেছে। বিশাল বৈচিত্র্যময় ভারতবর্ষকে নানা সময়ে নানা ভাবে খোঁজার চেষ্টা করেছেন অনেক লেখক। এই ধারায় নবতম সংযোজন অরুণ কাঞ্জিলালের গল্প। তাঁর নির্বাচিত প্রথম গল্পের সংকলন সৌহার্দ্য (২০০৫)। ২০০৯-২০১০ বর্ষে তপতী ঘোষ বাংলা ছোটগল্প প্রতিযোগিতায় তিনি শ্রেষ্ঠ গল্পকারের স্বীকৃতি পান। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে দিবাকরের ভারতবর্ষ - একুশটি গল্পের সংকলন। আঞ্চলিকতা, সম্প্রদায়গত অন্ধতার বহু ঊর্ধ্বে স্থিত তাঁর গল্পগুলোর পরতে পরতে মেলে ভারতভ্রমণের বিচিত্র স্বাদ।



আনন্দ সেন মিশিগানের অ্যান আরবার শহরের বাসিন্দা এবং পেশায় ইউনিভার্সিটি অফ্ মিশিগানে বায়োস্ট্যাটিস্টিক্সের অধ্যাপক। কলকাতার ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইন্‌স্টিটিউটের স্নাতক আনন্দ পি এইচ ডি করতে আমেরিকাতে আসেন তিরিশ বছরেরও বেশী আগে। ছাত্র পড়ানো এবং পরিসংখ্যান নিয়ে গবেষণার সাথে সাথে শখ লেখালেখি আর অভিনয়। মূলতঃ কবিতা লেখেন। পেশাগত কাজ এবং প্রাত্যহিকতায় নুয়ে যেতে যেতেও হঠাৎ করেই দ্বারস্থ হন অভ্র কিবোর্ডের। দর্শক এবং পাঠকের মন ভরাতে পারুক বা না পারুক, নাটক এবং লেখা তাঁকে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে। প্রতিদিন।



অনন্যা দত্ত আই,আই, টি খড়্গপুর ক্যাম্পাসে থাকেন। মানসিক বিকাশ কিছুটা ব্যাহত হওয়ায় স্কুলের পড়া হয়নি। ছবি আঁকতে ও গান গাইতে ভালবাসেন।



অনিন্দ্য বসু - কলোরাডো নিবাসী। পেশায় প্রযুক্তিবিদ। ভাল গান শুনতে, বিশেষতঃ দুষ্প্রাপ্য শাস্ত্রীয় সংগীতের খোঁজে যে-কোন সময় কয়েক মাইল হাঁটতে রাজী। ভাল বইয়ের খোঁজেও তাই। তেমন তেমন সঙ্গী পেলে আড্ডায় বহু রাত কাবার করার অভিজ্ঞতা সেই ছেলেবেলা থেকে। মাঝে মধ্যে এই আড্ডা গপ্পের হাত ধরেই কিছু কিছু লেখা অসাবধানতা বশতঃ ছাপা কাগজের মুখ দেখেছে।



নিউ জার্সির বাসিন্দা অরুণাভ গুহর পড়াশোনা--প্রেসিডেন্সি কলেজ, কলকাতা, দিল্লী, ও আমেরিকায়; বিষয়--পদার্থবিদ্যা। বহুদিন Bell/AT&T-Labs-এ থাকার পর এখন অবসর জীবনেও সারা পৃথিবী ঘুরে বেড়াচ্ছেন। নেশা--বহৎ কিসিমের।



অনিরুদ্ধ চক্রবর্তীর জন্ম ১৯৭৬ সালে হুগলি জেলার ছোটচৌঘরায়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। পেশায় তিনি একজন চাকুরিজীবি। লিটিল ম্যাগে লিখে লেখালিখির শুরু। প্রথম গল্প প্রকাশিত হয়, পুরুলিয়া থেকে প্রকাশিত টুকলু পত্রিকায়। তারপর থেকে অজস্র গল্প নানা পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। প্রান্তিক মানুষদের সঙ্গে মিশতে, মাঠেঘাটে ঘুরে বেড়াতে তাঁর ভাল লাগে। সেই সব মানুষজন—যাদের আমরা দেখেও দেখি না, যাদের জীবনযাপন নেতান্তই অকিঞ্চিতকর বলে হেলাফেলা করি—তাদেরই গল্প বলেন অনিরুদ্ধ। এখনও পর্যন্ত একটিই গল্পগ্রন্থ তাঁর প্রকাশিত হয়েছে। সেটির নাম –মশাট ইস্টিশনের মার্টিন রেল। প্রকাশক, পরশপাথর।



অনুষ্টুপ শেঠ--কলকাতায় বড় হওয়া, কর্মসূত্রে বহুকাল মুম্বাই প্রবাসী। বই, বাংলা সাহিত্য হল ভালবাসা। মূলত কবিতা লেখার শখ, টুকটাক গদ্য লেখারও চেষ্টা চলে। প্রকাশিত ছেলেদের ছড়ার বইঃ 'ভূতোর বই' (ঋতবাক্‌, ২০১৭)



অপরাজিতা ভট্টাচার্য: : জন্ম : ১৯৭৬, কলকাতা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক এবং বি.এড.। ছাত্র জীবন থেকেই লেখালিখির শুরু। ‘দেশ’ সহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় লেখা প্রকাশিত। প্রকাশিত গল্প সংকলন একটি। ভারতের বিভিন্ন শহরে থেকে বর্তমানে পুণের বাসিন্দা।



অরণি বসুর জন্ম ১৯৫১ সালে। সত্তর দশকের বিশিষ্ট কবি। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ -- খেলা চলে, শুভেচ্ছা সফর, লঘু মুহূর্ত এবং ভাঙা অক্ষরের রামধনু।



অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম বর্ধমানে। পড়াশোনা বর্ধমান, নরেন্দ্রপুর, ও শিবপুর বি,ই কলেজে। কবিতা ছাড়াও বিশেষ ভালোবাসার বিষয় হলো গানঃ রবীন্দ্রসঙ্গীত, হিন্দুস্থানী ও কর্নাটকী ক্লাসিকাল। প্রকাশিত কবিতার বই আপাত সুখের দৃশ্য




অরুণিমা ভট্টাচার্য্য-- জন্ম - পাঞ্জাব, বড়ো হওয়া - কলকাতা, পড়াশোনা - তামিলনাডু, কর্মসূত্রে বেশ কিছুদিন - মহারাষ্ট্র। এখন থাকেন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনাতে। পেশায় তথ্যপ্রযুক্তি। নেশা অনেক--যেগুলো বলা যায় তা হলো বই পড়া, গান শোনা, নাটক ও সিনেমা দেখা। কবিতা লেখা একটা সাম্প্রতিক আকস্মিক দুর্ঘটনা।



চৈতালি সরকার বর্ধমান জেলার বিল্বেশ্বর বিনোদলাল বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে মাস্টার্স করেছেন।



ভাস্কর বসুর জন্ম কলকাতায়, বেড়ে ওঠা দক্ষিণ চব্বিশ-পরগনার রাজপুর-সোনারপুর অঞ্চলে। ১৯৮৩ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেক্ট্রনিক্স ও টেলিকম্যুনিকেশন ইঞ্জিনীয়ারিং পাস করে কর্মসূত্রে ব্যাঙ্গালোরে। শখের মধ্যে অল্প-বিস্তর বাংলাতে লেখা - অল্প কিছু লেখা রবিবাসরীয় আনন্দবাজার, উনিশ-কুড়ি, নির্ণয়, দেশ, ইত্যাদি পত্রিকায় এবং বিভিন্ন ওয়েব ম্যাগাজিন (সৃষ্টি, অবসর, অন্যদেশ, ইত্যাদিতে) প্রকাশিত। সম্প্রতি একটি ব্লগ শুরু করেছেন, ভাবনা আমার পথ খুঁজে চলে



ইন্দ্রনীল দাশগুপ্ত আমেরিকায় থাকেন।



উদয় চট্টোপাধ্যায় খড়গপুর আই. আই. টি. থেকে মেটালার্জিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর স্নাতক এবং ডক্টরেট, এবং সেখানেই বিগত চারদশক অধ্যাপনার পর সম্প্রতি অবসর গ্রহণ করেছেন। ছাত্র এবং কর্মজীবনে তাঁর সাহিত্যচর্চা চলেছে সমান্তরালভাবে। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা তিন, এবং একটি রম্যরচনা ও প্রবন্ধ সংকলন। পেশাগত বিষয়ে তাঁর লেখা বই 'Environmental Degradation of Metals' (Marcel Dekker Inc, 2001) এবং সম্প্রতি প্রকাশিত 'ধাতুর কথা'।



কৌশিক ভট্টাচার্য আই এস আই কলকাতা-র ছাত্র। একসময়ে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়াতে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে আই আই এম লখনৌ-য়ে অর্থনীতির অধ্যাপক। কবিতা লেখা এবং ইংরেজি কবিতার বাংলা অনুবাদ করা কৌশিকের শখ।



কৌশিক সেন--কর্কট রোগ বিশেষজ্ঞ; সহ অধ্যাপক, চিকিৎসাবিজ্ঞান বিভাগ, নর্থ ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয়, চ্যাপেল হিল। নাটকের দল--ক্যারোলিনা লিটল থিয়েটার ওয়ার্কশপ, উদ্দেশ্য--অভিবাসী অভিজ্ঞতার ওপর মৌলিক নাটক রচনা ও অভিনয়।
নিয়মিত লেখক--দেশ, আনন্দবাজার, সানন্দা, পরবাস, নতুন কৃত্তিবাস এবং বিভিন্ন অণুপত্রিকা ও পূজাবার্ষিকী।
প্রকাশিত বই: ১) চোর ও অন্যান্য নাটিকা (প্রতিভাস), ২) তালপাতার দ্বীপ (উপন্যাস, আনন্দ), ৩) মাঝবয়েস (কবিতা সংকলন, প্রতিভাস), ৪) কবরখানার চাবি (গল্প সংকলন, প্রতিভাস), ৫) মনের বাগান (উপন্যাস, আনন্দ), ৬) আয়নার ভেতরে (উপন্যাস, প্রতিভাস), ৭) ক্যানসার একটি রোগের নাম নয় (প্রবন্ধ সংকলন, প্রতিভাস), ৮) তৃণা ফিরে এসো (উপন্যাস, আনন্দ)।



আমি নাহার তৃণা। জন্ম ঢাকায়। বর্তমানে উত্তর আমেরিকায় বসবাস করছি। নানান ধরনের বই পড়তে ভীষণ ভালোবাসি। সামান্য লেখালেখির চেষ্টা করি। খুব ইচ্ছে করে যে জীবন আমার নয়, কিন্তু হতেও তো পারতো, এমন মানুষের পাশে নিজেকে দাঁড় করিয়ে সে জীবনটা দেখি।



পিউ দাশের প্রিয় জিনিস--ভালো গল্প, বাংলায় এবং ইংরেজিতে।



পৃথা কুণ্ডুর জন্ম ৩১শে ডিসেম্বর, ১৯৮৯। অল্প বয়স থেকেই তিনি বিভিন্ন পত্রিকায় লেখা-লিখি করছেন। ২০০৬ সালে তাঁর প্রথম উপন্যাস "গন্ধর্ব" প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে তাঁর লেখা কয়েকটি বেতার-নাটক আকাশবাণী কলকাতা থেকে সম্প্রচারিত হয়েছে। নাটকগুলি হল "চিরকুট", "ফিরছি" এবং "শেষ কোথায়"। বর্তমানে তিনি ইংরাজির অধ্যাপিকা।



বন্দনা মিত্র--পেশায় মেটালার্জিকাল ইঞ্জিনীয়ার, শিবপুর বি ই কলেজ ও তারপর আই আই টি খড়গপুর। কাজ করেন রাষ্ট্রীয় ইস্পাত নিগম লিমিটেড, এক পাবলিক সেক্টর আনডারটেকিং-এ। বর্তমানে কলকাতায় পোস্টিং, তবে কাজের সূত্রে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ঘুরতে হয়েছে। লেখালিখি আমার শখ, লিটল ম্যাগাজিন, ওয়েব ম্যাগাজিন, আনন্দবাজার ওয়ান স্টপ এ কবিতা ও গল্প প্রকাশিত হয়েছে। কবিতার একটি বই ও প্রকাশিত হয়েছে "কালপুরুষ কি জাগছে আজ"



চৈতালি সরকার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী করেছেন। বিল্বেশ্বর বিনোদলাল বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।



চম্পাকলি আইয়ুবের (জন্ম ১৯৫৭) পড়াশুনো প্রধানত কলকাতায়; তিনি পদার্থবিদ্যা নিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এস.সি, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এস.সি. ও সাহা ইন্সটিট্যুট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্স থেকে এম. ফিল. করেন। চম্পাকলি মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জীববিজ্ঞানে পি.এইচ.ডি. করেন ও সেই বিষয় নিয়েই ১৯৮৩ সাল থেকে মুম্বাইয়ের টাটা ইন্সটিট্যুট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চে গবেষণারত। চম্পাকলির নানারকম শখের মধ্যে উল্লেখ্য নৃত্য-চর্চা, গানশোনা, ভ্রমণ, সাহিত্যচর্চা ও রান্নাকরা।



ছন্দা চট্টোপাধ্যায় বিউট্রা জন্ম থেকেই প্রবাসী। দিল্লীতে বড়ো হওয়া, এখন ওমাহা নেব্রাস্কাতে প্যাথোলজির চিকিৎসক এবং অধ্যাপক। বই ও ম্যাগাজিন পড়ার নেশা, আরো এক বড়ো নেশা হলো দূর দূর দেশে ভ্রমণ। গ্যালাপাগোস, আমাজনের জঙ্গল, ম্যাডাগাস্কার, পাপুয়া-নিউগিনি, ঘানা, ইসতান্‌বুল, প্রভৃতির পরে এখন স্বপ্ন আউটার মঙ্গোলিয়া। তাছাড়া, এবারে ঘাড়ে চেপেছে পাখি দেখার নেশা।



ভবভূতি ভট্টাচার্যের জন্ম হুগলি জেলার এক গ্রামে। পড়াশুনো কলকাতায়। এক আধা-সরকারী সংস্থায় চাকুরিসূত্রে বহু বৎসর ছিলেন উত্তরভারতের গোরক্ষপুর, পাটনা প্রভৃতি স্থানে, এখন কলিকাতায়। নানান বিষয়ে পড়তে ভালোবাসেন, ও তা পাঠকের সঙ্গে ভাগ করে নিতে। গল্প, প্রবন্ধ, রম্যরচনা লিখে থাকেন, ভূতের গল্প লিখতে ভালোবাসেন খুব, যদিও সবচেয়ে প্রিয় বিষয় ছোটোদের গল্প। ইতিহাসের তন্নিষ্ঠ ছাত্র। আর ভক্ত 'পাক্কা গানা'-র। প্রকাশিত গ্রন্থ : 'ডাইনি ও অন্যান্য গল্প', 'মায়াতোরঙ্গ' এবং 'কলোনিয়াল কলকাতার ফুটবলঃ স্বরূপের সন্ধান' (অনুবাদ; প্রবন্ধ)।



মিহির সেনগুপ্তের জন্ম ১৯৪৭। লেখক জীবনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৯৩ সাল থেকে নাইয়া পত্রিকার মাধ্যমে। প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে আছে : বিদুর, সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম, বিষাদবৃক্ষ, উজানিখালের সোঁতা, টাঁড় পাহাড়ের পদাবলি, নিষ্পাদপ অরণ্যে, ধানসিদ্ধির পরণকথা, একুশবিঘার বসত, সংস্কৃতির দক্ষিণায়ন প্রভৃতি। তিনি বাংলাদেশের শ্রুতি অ্যাকাডেমি ও 'বিষাদবৃক্ষের' জন্য আনন্দ পুরস্কার পেয়েছেন।



দিবাকর ভট্টাচার্য - জন্ম ১৯২৮, ২২ নভেম্বর। ২৪ পরগণার জয়নগর-মজিলপুরে। আসল নাম হরেরাম ভট্টাচার্য হলেও দিবাকর ভট্টাচার্য নামেই সমধিক পরিচিত। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম. এ.। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে। স্নাতক স্তরে অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। অধ্যাপনা করেছেন যথাক্রমে রানাঘাট কলেজ, খড়গপুর কলেজ ও পরে দমদম মতিঝিল কলেজে। আজীবন মানবতাবাদী দিবাকর ভট্টাচার্য পরিণত বয়সে গান্ধীবাদী দর্শনে স্থিত হন। বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্যে সুপণ্ডিত, জনপ্রিয় এই মানুষটির অনায়াস বিচরণ ছিল ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান সহ বিবিধ বিষয়ে। দীর্ঘ অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে নিভৃতে সাহিত্যচর্চা করেছেন দিবাকর। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় লিখেছেন প্রবন্ধ, গল্প, উপন্যাস ও নাটক। অথচ তাঁরই স্পষ্ট নির্দেশানুসারে জীবৎকালে তাঁর একটিও গ্রন্থ প্রকাশিত হয়নি। বিশ্বশান্তি ও গণতন্ত্রে গভীর প্রত্যয়ী এই মানুষটি বিরোধী ছিলেন সমস্ত গতানুগতিকতার। এই প্রতিবাদী ব্যক্তিত্ব আজীবন সমস্তরকম হিংসার বিরোধিতা করে এসেছেন অনমনীয় দৃঢ়তায়। নিঃসঙ্গ, প্রতিবাদী এই মানুষটি প্রয়াত হন ২০০২ সালের ১৫ জানুয়ারি।



দিব্যেন্দু গঙ্গোপাধ্যায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা সাহিত্যের ছাত্র। স্নাতকোত্তর পড়াশোনার পরে Jerzy Grotowski-র "Theatre of Sources" প্রোজেক্ট-এ "co-realisator" হিসেবে পোল্যাণ্ড ও ইটালি-তে আমন্ত্রিত। দেশে ফিরে সাংবাদিক ও নাট্যসমালোচক হিসেবে বিভিন্ন সংবাদপত্র ও পত্রিকায় লেখালেখি করেছেন। বর্তমানে সুইডেন-এ ভারতীয় দূতাবাসে কর্মরত। স্টকহোল্‌ম-এ বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশন ও ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন-এ কর্মকর্তা। অনুবাদক ও ইন্‌টারপ্রিটর হিসেবেও নিজেকে ব্যস্ত রাখেন।



দীপঙ্কর ঘোষ কোনদিন ছবি আঁকা শেখেননি গুরুর পাঠশালায় । ছবি লেখেন মনের আনন্দে। ছোটবেলা থেকে।

স্ট্যাটিসটিক্স, ম্যানেজমেন্ট, কম্পিউটার নিয়ে পড়াশুনা করে জীবিকা জগতের গুরু দায়িত্বে থেমে যায় সেই শখ!

অবসর জীবনে আবার ধরেছেন পেন্সিল তুলি। পোর্ট্রেট বানান চারকোল পেন্সিলে। কখনো বা ছবিতে ব্যবহার করেন নানা ধরনের রং, এমনকি কাপের তলানিতে পড়ে থাকা কফি।

ওনার নিজের কথায়:

ইচ্ছে পূরণ হয়না কোন লেখায়,
শব্দগুলো খেই হারিয়ে মনের মাঝে কাঁদে।
কলম ছোটে ব্যর্থ সরল রেখায়,
ছন্দকে তাই বন্দি করি তুলির টানের ফাঁদে।

সমরেন্দ্র নারায়ণ রায়ের Memories of Madhupur / Mid-Century Vignettes from East of India বইটির প্রচ্ছদ ও অলংকরণ তাঁর।




দেবতোষ ভট্টাচার্য



দেবারতি মিত্রের জন্ম ১২ এপ্রিল, ১৯৪৬ কলকাতায়। বাবা অজিতকুমার মিত্র, মা গীতা মিত্র। দেবারতি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। পরে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। স্বামী কবি ও গদ্যকার মণীন্দ্র গুপ্ত। দেবারতির প্রথম কবিতার বই 'অন্ধস্কুলে ঘন্টা বাজে'। তাঁর অন্যান্য বইগুলি হল -- আমার পুতুল, যুবকের স্নান, ভূতেরা ও খুকি, তুন্নুর কম্পিউটার, খোঁপা ভরে আছে তারার ধুলোয়, জঙ্গলে কাটুল, মুজবত পাহাড়ে হাওয়া দিয়েছে। গদ্যের বই 'জীবনের অন্যান্য ও কবিতা' এবং 'ভ্রমণাধিক ভ্রমর'।
১৯৬৯ সালে কৃত্তিবাস পুরস্কার, ১৯৯৫ সালে আনন্দ পুরস্কার এবং ২০১৪ সালে রবীন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার, নতুন গতি পুরস্কার পেয়েছেন। ২০০২ সালে তিনি জাতীয় কবি নির্বাচিত হন।



দেবাশিস দাস পেশায় ভূতত্ত্ববিদ। পড়াশুনো যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও খড়গপুর আই আই টি থেকে। কর্মসূত্রে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে বর্তমানে দেরাদুনের বাসিন্দা। একটি ‘তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান’ সংস্থায় কর্মরত। দেরাদুনের বঙ্গসংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত। নেশা অবশ্যই সাহিত্যচর্চা। বিশেষত: একনিষ্ঠ পাঠক হিসেবে। বিভিন্ন সময় বিক্ষিপ্তভাবে লেখালেখি করেছেন নানান পত্রিকায়। কিন্তু নিয়মিত-ভাবে পাঠকের দরবারে আসা হয়ে ওঠে নি। ‘পরবাস’ ওয়েবজিনের জন্য গল্প লেখা এই প্রথম। সুধী পাঠকগণের ভাল লাগলে নিয়মিত লেখালেখির বাসনা আছে।



পেশায় শিক্ষিকা ফাল্গুনী ঘোষ বীরভূমের বাসিন্দা। প্রবন্ধ জাতীয় লেখালিখির সুত্রপাত ছাত্রাবস্থা থেকেই। প্রথম প্রকাশিত বই একটি প্রবন্ধ সংকলন, ‘প্রবন্ধে চেতনা ও চিন্তাচর্চা’। পরবর্তীতে রম্যরচনা ও অন্যান্য গল্প লেখালিখি করছেন। বিভিন্ন ওয়েবজিন ও প্রিন্টেড ম্যগাজিনে লেখেন। ২০১৯ কলকাতা বইমেলায় সৃষ্টিসুখ প্রকাশনী থেকে তাঁর প্রকাশিত রম্য গদ্য সংকলন ‘বকবকম’। লোকজ সংস্কৃতি, লোকজীবনের উপর আগ্রহ থেকেই একটু অন্যধরনের গল্প লেখার প্রচেষ্টা তাঁর। সম্প্রতি একটু অন্যধারার লেখালিখির প্রতি আগ্রহ রাখছেন।



জয়দীপ মুখোপাধ্যায় (জন্ম: ১৯৬৩) দীর্ঘদিন যাবৎ তথ্যচিত্র নির্মাণ করছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য তথ্যচিত্রগুলির মধ্যে রয়েছে 'গগনেন্দ্রনাথ' (ইন্ডিয়ান প্যানোরামা), 'পথের পাঁচালী - এ লিভিং রেসোনান্স', 'নবনীতা দেব সেন', স্ট্রিংস অব মেলোডি - ওস্তাদ আলি আকবর খান' প্রভৃতি। কিশোর বয়স থেকেই লেখালিখিতে ঝোঁক ছিল। তিনি আনন্দবাজার, যুগান্তর, আজকাল সহ বেশ কিছু পত্রপত্রিকায় লিখেছেন। তাঁর ছবি নিয়ে লন্ডনের হোয়াইট চ্যাপেল আর্ট গ্যালারী ও কলকাতার নন্দনে রেট্রোসপেকটিভ হয়েছে। গুয়াংঝাউ, এডিনবার্গ, সিনেমা পেনিশে (প্যারিস), ঢাকা প্রভৃতি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে। তুর্কমেনিস্তানের আসগামাৎ চলচ্চিত্র উৎসবে তাঁর ছবিকে 'Merit Plague' দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে।



জয়ন্ত নাগ-এর জন্মগ্রাম মিরপুর, পাবনা। লেখালেখির শুরু কলেজ-জীবন থেকে। নিয়মিত কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প, সাক্ষাৎকার, ভ্রমণকাহিনি, চলচ্চিত্র সমালোচনা লিকছেন, অনুবাদও করেন। লেখা প্রকাশিত হয়েছে ঢাকা ও কলকাতার বিভিন্ন পত্রিকায় (বিচিত্রা, দেশ, কাল ও কলম, অনুষ্টুপ, বিভাব, রোববার, আরেক রকম, সচিত্র সন্ধানী, ইত্যাদি)। আধুনিক আফ্রিকান সাহিত্যের পথিকৃৎ চিনুয়া অ্যাচেবে ও রাজনৈতিক চলচ্চিত্রকার কোস্টা গাভরেস-এর সাক্ষাৎকারের অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে 'অনুষ্টুপ'-এ। রবিশংকর, মৃণাল সেন, পিট সিগার সহ আরো অনেকের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন। প্রকাশিত বইঃ 'সাক্ষাৎকারের সাক্ষ্যেঃ দেশ, বিশ্ব'। এছাড়া তিনি অনেক গীতি-আলেখ্যের রচয়িতা এবং 'আলোছায়ার ছিন্নপত্র' নামে শান্তা নাগের সঙ্গে একটি দ্বৈত সিডিও প্রকাশ করেছেন। বর্তমানে তিনি আমেরিকাতে পরিবেশ বিজ্ঞানী হিসেবে কর্মরত।



কৌশিক সেন পেশায় কর্কট-রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হলেও নেশা কবিতা, ছড়া, বই পড়া। নর্থ ক্যারোলাইনার ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। প্রকাশিত বই 'তৃণা ফিরে এসো', 'মনের বাগান', 'আয়নার ভিতরে' প্রভৃতি।



হৃদি কুন্ডু কলকাতায় থাকে। হ্যারি পটার আর গণ্ডালুর ভক্ত। ভবিষ্যতে লাইব্রেরিয়ান হবে বলে ঠিক ছিল (তাতে নাকি গল্পের বই পড়ার খুব সুবিধে হবে), এখন একটু দোটানায় আছে কারণ মনে হচ্ছে গাড়ি করে আইসক্রিম বিক্রি করাটাও মন্দ নয়।

হৃদির আর এক শখ ডিজাইন করা। এদিক-ওদিক থেকে হৃদি শোনে যে বাঙালিদের নাকি 'ডিজাইন'-বোধটা একটু কম। তার একটা বিহিত করার জন্যেই খাতার পাতায় হৃদি কিছু ডিজাইন করেছে। আপাতত শুধু পোশাকের। আপনারাও দেখতে পারেন চাইলে।



নন্দিতা মিশ্র চক্রবর্তী-র জন্ম উত্তর কলকাতায়। বড় হয়ে ওঠা উত্তর শহরতলীর এক সরকারি আবাসনে। ছোট থেকেই বিভিন্ন ধরণের বই পড়তে ভালোবাসেন এবং সাহিত্যচর্চায় হাতেখড়িও তখন থেকেই।বেথুন কলেজ থেকে উদ্ভিদবিদ্যায় স্নাতক। পরিবেশ বিজ্ঞানে প্রথম শ্রেণীতে স্নাতকোত্তর। গল্প প্রথম ছাপা হয় উত্তরপাড়া থেকে প্রকাশিত "নিজস্ব" মাসিক পত্রিকায়। এরপর গল্প প্রকাশিত হয় দেশ পত্রিকা, আনন্দমেলা, তথ্যকেন্দ্র সহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায়। ভালোবাসেন গাছপালা ও বন জঙ্গল।



কবিতা, গল্প, উপন্যাস, মননশীল প্রবন্ধ ও অনুবাদ সব বিষয়েই নীলাঞ্জন চট্টোপাধ্যায়ের কলম সাবলীল। তিনি অবসরপ্রাপ্ত আই. এ. এস.। প্রায় ২৫টি উপন্যাস ও দেড়শ গল্প এখনো পর্যন্ত লিখেছেন। কলকাতা নিবাসী।



নিবেদিতা দত্তঃ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম,এ,। লেখালিখি, সেতার বাজানো এবং ছবি আঁকায় শখ। আই,আই,টি, খড়গপুরে থাকেন।



নীলাঞ্জনা বসু ওরফে নীলুর বাড়ি কলকাতা। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া থেকে মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পি এইচডি করে এখন ক্যালিফোর্নিয়ায় কর্মরত।



নিরুপম চক্রবর্তী ভারতবর্ষে বসবাস করেন, সম্প্রতি প্রবাসে দুবছরের স্বেচ্ছা নির্বাসন সমাপ্ত করে আপাতত তিনি স্বস্থানে স্থিত। জনশ্রুতি এইরকম যে তিনি স্বদেশে ও বিদেশে কিছু অপ্রয়োজনীয় প্রযুক্তিবিদ্যার অধ্যাপক ও সাম্মানিক অধ্যাপক পদে আসীন। প্রথাগত অশিক্ষার শুরু ভারতবর্ষে ও সমাপ্তি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে। বাংলা ও ইংরিজী ভাষায় বর্ণপরিচয় ও ফার্স্টবুক পাঠ সমাপ্ত করেছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ--'নিজস্ব বাতাস বয়ে যায়!' ও কিছু নির্বাচিত কবিতার ইংরিজি ও ফিনিশ ভাষায় অনুবাদ: Enchantress.



পল্লববরন পাল--শিবপুর বি.ই. কলেজের স্নাতক স্থপতি। গান, আবৃত্তি, ছবি-আঁকা, লেখালেখি আকৈশোর। সঙ্গীত ও নাটকে বহুপুরস্কারে সম্মানিত। লিখিত উপন্যাস (২টি), অন্যধারার নাটকও (২টি), এবং কবিতা। 'তিন নম্বর চোখ' পত্রিকার ধুন্ধুমার সম্পাদক। অজস্র বই ও পত্রিকার মলাট ও অলংকরণশিল্পী। তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা দশটি।



প্রণব বসু রায় এখন অবসৃত। লেখালিখির শুরু ১৯৬২-৬৩ থেকে, প্রথম মুদ্রিত হয় ১৯৬৪ সালে। প্রথমে "কন্ঠস্বর", পরে "শীর্ষবিন্দু" পত্রিকার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। "শীর্ষবিন্দু"-র সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য হিসেবে ২০০১ অবধি, পরে একক সম্পাদনায় ঐ পত্রিকা ২০০৮ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়। ২০১৮ সালে, পত্রিকার ৫০ বছরে, স্মারক কাব্যগ্রন্থ "শীর্ষবিন্দু--৫০ বছরের কবিতা" প্রকাশ করেন, যুগ্ম সম্পাদনায়। নামী-দামি পত্রিকার সঙ্গে লিখেছেন প্রচুর লিটল ম্যাগে। কলম এখনও সচল, তবে মাঝে ৩৫ বছর তা নীরব ছিলো। এ পর্যন্ত ৪টি কাব্যগ্রন্থ, যথাক্রমে ১) প্রণয়রাংতা, ২) এবাড়িতে রান্নাঘর নেই, ৩) ফ্রেডরিক নগরের বাসিন্দা ৪) মাইনাস ডেসিবল প্রকাশিত হয়েছে। সাহিত্য ও সমাজ-কল্যাণ মূলক কাজেও যুক্ত--"শ্রীরামপুর স্বর বর্ণ"নামক রেজিস্টার্ড সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক হিসেবে।



প্রীতম মুখোপাধ্যায়ের জন্ম – ১৯৫২। যুবককাল থেকেই ‘উলুখড়’ লিটল ম্যাগাজিনের সঙ্গে যুক্ত। ছোটগল্প লেখক। সেই সঙ্গে কয়েকটি একাঙ্ক ও পূর্ণাঙ্গ নাটকের রচনাকার। ব্যাঙ্ক থেকে স্বেচ্ছাবসর গ্রহণ ১৯৯৭ সালে। তারপর পূর্ণ সময়ের জন্য চিত্রনাট্য রচনার কাজে নিযুক্ত। ‘আনন্দলোক’ পত্রিকা আয়োজিত উৎসবে পরপর তিনবছর শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকারের পুরষ্কার লাভ। প্রকাশিত পুস্তক তিনটি। গল্প সংকলন — সম্পূর্ণ রঙীন এবং ভুলভুলাইয়া। উপন্যাস — আকাশী। বর্তমানে অনিয়মিত কিছু লেখালিখি ও নিয়মিত বেড়াতে যেতে আগ্রহী।




বিশ্বদীপ সেনশর্মা



রবিন পাল (জন্ম ১৯৪২) চল্লিশ বছর নানা বিদ্যায়তনে অধ্যাপনার পর বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা বিভাগ থেকে প্রফেসর পদে অবসর গ্রহণ করেছেন ২০০৪-এ। বাংলা ও ইংরাজি ভাষায় বহু প্রবন্ধ রচনা করেছেন, যার কিছু অনূদিত হয়েছে স্প্যানিশ ভাষায়। ভারতবর্ষের নানা প্রদেশে এবং জার্মানীতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন। রচিত গ্রন্থাদি — কবিতার দেশ-বিদেশ, কল্লোলিত ছোটগল্প, র‍্যালফ্‌ ফক্স: রাজনীতি সংস্কৃতি ভারতনীতি, পাবলো নেরুদা: বঙ্গীয় বাতায়ন ও বিক্ষুব্ধ নীলিমা, কথাসাহিত্যে চিত্রকল্প, পাঠসারণিতে মতি নন্দী, উপন্যাসের উজানে, বাংলা ছোটগল্প: কৃতী ও রীতি, অচিন্ত্য সেনগুপ্ত (সাহিত্য আকাদেমি), যুগলবন্দী: স্পেনীয় ও ভারতীয় সাহিত্য, বিষয়: রবীন্দ্রনাথ, ছোটগল্পের পথে পথে, উপন্যাসের বর্ণময় ভূবন, উপন্যাস: প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য, বিদেশীদের চোখে রবীন্দ্রনাথ, ছোটগল্পের বিন্দু বিশ্ব ও উপন্যাস চিন্তা : পাঁচজন আধুনিক কবি । সম্পাদনা করেছেন - লাল সালু বিষয়ক নানা নিবন্ধ, উইস্‌ লাওয়া জিমবোর্স্কার কবিতা। অনূদিত বই — ব্রাজিলের কবিতা, নিক্সন নিধন নিয়ে জেহাদ এবং চিলির বিপ্লব বন্দনা (পাবলো নেরুদা)।



রাজীব চক্রবর্তী 'পরবাস'-এর একজন অন্যতম সদস্য।



রাহুল মজুমদার - জন্ম ১৯৫৩ সালে। গর্ভমেন্ট আর্ট কলেজ থেকে পাশ করেছেন। লেখালিখির শুরু ৭৮ সাল থেকে। মূলতঃ সন্দেশ পত্রিকা দিয়েই শুরু। পরে আরও অনেক ছোটদের পত্রিকায় লেখালিখি ও অলংকরণের কাজ করেন। লেখালিখি ও আঁকা ছাড়াও পাহাড় চড়ার শখ। প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে আছে: হাঁউ-মাঁউ-খাঁউ, পেটুক খরগোশ, ক্ষুদে রাজপুত্তুর, হিমালয় পায়ে পায়ে, এবং পাহাড় যখন প্রতিপক্ষ



রাহুল রায় বস্টনে থাকেন। "লেখনী" গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত। প্রকাশিত বইঃ ফলেন কমরেড (গল্প), নেমসেক এবং অন্যান্য গল্প



রুমঝুম ভট্টাচার্য



রঞ্জন রায় (১৯৫০); এম এ (অর্থনীতি); এল এল বি ও সিএআই আইবি (মুম্বাই)। জন্ম--কোলকাতা। তিনটি স্কুল পেরিয়ে হায়ার সেকন্ডারি পাশ। কলেজ কোলকাতার দুটো ও ছত্তিশগড়ের তিনটে। গ্রামীণ ব্যাংকে ৩৪ বছর চাকরির সুবাদে ছত্তিশগড়ের গাঁয়ে-গঞ্জের আনাচে কানাচে ঘোরাঘুরি। বর্তমানে কোলকাতায়। বুড়ো বয়সে বাংলালেখা শুরু ওয়েব ম্যাগাজিনে। বাংলা লাইভ, গুরুচণ্ডালি ও অবশেষে পরবাসে। এই বছর প্রথম প্রকাশিত বই "বাঙাল জীবনের চালচিত্র" (গাঙচিল)। নকশাল আন্দোলনের নারীবাদী দৃষ্টিকোণের উপন্যাস "বেঁচে আছি, প্রেমে -অপ্রেমে" (পান্ডুলিপি)। হিন্দি থেকে অনুবাদঃ কুরু কুরু স্বাহা (পাণ্ডুলিপি); রাগ দরবারী (পাণ্ডুলিপি)।



রঞ্জন ভট্টাচার্য -- পেশায় ডাক্তার রঞ্জন ভট্টাচার্যের বসবাস কলকাতায়। ডাক্তারি ব্যস্ততার ফাঁকে নিয়মিত সাহিত্যচর্চা করেন। মহাভারতের একজন নিবিষ্ট পাঠক। ।



রূপা মন্ডলের নিজের কথায়ঃ খুব ছোটবেলা থেকেই লিখতে, ছবি আঁকতে আর গল্পের বই পড়তে ভীষণ ভালোবাসি। গাছপালা, পশুপাখি আর প্রকৃতির কাছাকাছি থাকতে ভীষণ পছন্দ করি। স্কুল ম্যাগাজিনে ভ্রমণ কাহিনী লেখার মাধ্যমে প্রথম আত্মপ্রকাশ। মহাবিদ্যালয় স্তরে ও রাজ্য স্তরে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ ও পুরস্কার লাভ। আনন্দবাজার প্রত্রিকা ও তার ই-কলকাতা বিভাগে অনেকবার প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। অনেকগুলি অনলাইন ও মুদ্রিত ম্যাগাজিনে নিয়মিত প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধ। গতবছরে একটি ছোট গল্পের বই প্রকাশিত হয়েছে, নাম - "পরিচয়" ('উড়ান' পাবলিশার)| বর্তমানের কর্মব্যস্ত জীবনে সময় পেলেই গল্প লেখা ও জলরঙে ছবি আঁকা চিত্তবিনোদনের একমাত্র উপকরণ।



শর্মিলার বয়েস নয়। গুরগাঁওতে থাকে। সম্প্রতি রাজস্থানে ও ফিনল্যান্ডে বেড়াতে গিয়েছিল, তার কিছু প্রভাব থাকতে পারে ছবির মধ্যে।



শেখ একেএম জাকারিয়া, জন্ম: ১৯৭৯, শিক্ষা : এমএসসি ( উদ্ভিদবিজ্ঞান, ২০০৩) মুরারিচাঁদ কলেজ, সিলেট; সম্পাদনাঃ ত্রৈমাসিক সাহিত্যপত্রিকা সুরমার ঢেউ ও অনলাইন সাহিত্যপত্রিকা সুরমার ঢেউ ডটকম; প্রকাশিত গ্রন্থঃ অর্থহীন ফুল ( ২০১৯), বাংলা কবিতায় ছন্দের গুরুত্ব ( প্রবন্ধ ২০১৭), শব্দফুলের মালা ( ২০১২), ভালোবাসার নীল রং (২০১১), প্রার্থনা ( ২০১১), গোলকধাঁধা (২০১০)



সাবর্ণি চক্রবর্তী কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিদ্যা নিয়ে পড়েছেন। রিজার্ভ ব্যাংকের NABARD বিভাগ থেকে বছর তিনেক আগে অবসর নিয়েছেন। কলকাতায় থাকেন। প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ - পালান ফিরিওয়ালার বিক্রির বৃত্তান্ত, বনের ভিতর বাড়ি, দৃষ্টিকোণ ও অন্যান্য, Moonstruck and Other Short Stories



সমরেন্দ্র নারায়ণ রায়ের বাল্যজীবন একেবারে অন্যরকম। মধুপুরে (এখনকার ঝাড়খণ্ডে) দাদুর (ব্রিটিশ আমলের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট) কাছে ইংরেজি, সংস্কৃত আর অঙ্ক শিখেছেন। বারো বছর বয়েস অবধি কোনো ইস্কুলে যাননি। পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ, পুনের ফার্গুসন কলেজ, দিল্লীর আইআইটি, এবং আমেরিকার রচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা। ছেলেবেলার স্বাধীনতা ও বিচরণক্ষেত্র ছিল অবাধ -- মধুপুরের আদিবাসী ও সাধারণ লোকজনেদের সঙ্গে। সেইসব বিচিত্র অভিজ্ঞতা নিয়ে তাঁর বই Memories of Madhupur / Mid-Century Vignettes from East of India ২০১৮-সালে প্রকাশিত হয়েছে।



সমীর ভট্টাচার্যের জন্ম, স্কুল, কলেজ পশ্চিমবঙ্গে। তার পরের পড়াশোনা দিল্লী ও আমেরিকায়। বর্তমানে নিউজার্সি-বাসী।



সঞ্চারী মুখার্জী সিটি সাউথ কলেজ থেকে বি. কম. (একাউন্‌টেন্সি) করে এখন কোম্পানি সেক্রেটারিশিপ পড়ছেন। ফাইন আর্টস-এ ডিপ্লোমা করেছেন। সম্প্রতি তাঁর আঁকা ছবি 'শ্রী' গ্যালারিতে প্রদর্শিত হয়েছে।



অত্যন্ত দুঃখের কথা সন্ধ্যা ভট্টাচার্য আজ আর আমাদের মধ্যে নেই। তাঁর ছেলে দেবজ্যোতি ভট্টাচার্যের কথায়ঃ "মা একেবারে পরিণত বয়সে, যখন আমি শিলং-এ পোস্টিং পেলাম ১৯৯৪ সালে, সেই তখন আমার কাছে থাকতে এসে যখন সংসারের সব কাজ থেকে নিস্তার পেলেন তখন এ ডায়েরিগুলো লিখতে শুরু করেন। তারপর দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ধীরে ধীরে সুদীর্ঘ কয়েক দশকের ইতিকথা লিখেছেন ব্যক্তি-সমাজ ও চেতনার বিবর্তনের ছবি দিয়ে চারটি ডায়েরিতে।"



সংহিতা মুখোপাধ্যায়ের জন্ম রামরাজাতলায়। বড় হওয়া চন্দননগরে। পড়াশোনার একটা পর্ব প্রেসিডেন্সি কলেজে। কাজকর্ম পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বনদপ্তরে ও ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরে। স্কুল ম্যাগাজিনের পর লেখা প্রকাশ আকস্মিক জয়ঢাকে, মাস্টারমশাই শ্রী দেবজ্যোতি ভট্টাচার্যের প্রশ্রয়ে। তারপর যারা পরিযায়ী, কচিকাঁচা সংবাদ, বাংলালাইভ আই-পত্রিকা, পরবাস, সৃষ্টি এবং কর্ণিকা-তে। প্রকাশিত বই হাফসেঞ্চুরি, গুচ্ছ খোরাক, Managing Conflict in Projects, হাফসেঞ্চুরি প্লাস, অরণ্য সংহিতা।



সিদ্ধার্থ সিংহ



সোহম ঘোষ



সৌম্যেন ভট্টাচার্য্য কলকাতায় থাকেন। জন্ম-কর্ম সবই কলকাতা ঘিরে। চাকুরীজীবী। ভালোবাসে্ন বই পড়তে, ঘুরে বেড়াতে। গান শোনা আর সিনেমা দেখার নেশাও আছে। লেখালেখির চেষ্টা করতে ভালো লাগে।



সূর্য মণ্ডলের জন্ম পূর্ব বর্ধমান জেলায় কুমারগজ্ঞ গ্রামে, বর্তমানে বর্ধমান শহরে স্থায়ী বসবাস। বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয় বর্ধমান থেকে উচ্চশিক্ষা। কৃত্তিবাস, কবি সম্মেলন, কবিতা পাক্ষিক, আরম্ভ, ইত্যাদি বিভিন্ন লিটিল ম্যাগাজিনে নিয়মিত লেখেন। বাংলাদেশে আমন্ত্রিত হয়েছেন কবিতা পড়ার জন্য। তাঁর প্রকাশিত বই 'তুমি সমাহিত হও এবং জ্বর একশ এক'।



সুনন্দন চক্রবর্তীর জন্ম ১৯৫৭। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। আচার্য গিরিশ চন্দ্র বসু কলেজে ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক। লেখালিখি বিক্ষিপ্তভাবে, আদিষ্ট বা অনুরুদ্ধ হলে।



সুভাষ বিশ্বাস



শাম্ভবী ঘোষ নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'স্কুল অফ ইকোলজি এন্ড এনভায়রনমেণ্টাল স্টাডিস' বিভাগে স্নাতকোত্তরের ছাত্রী। পড়াশোনার পাশাপাশি সঙ্গীতচর্চা এবং ডিজিটাল ও প্রিণ্ট উভয় মাধ্যমেই নিয়মিত লেখালেখি করেন। বেশ কিছুদিন যাবৎ অনুবাদের কাজ করছেন। এটি তাঁর প্রথম উপন্যাস। প্রকাশিত কবিতার বই 'A Stranger's Conversation' (Authorspress, 2014).



শান্তনু চক্রবর্তী গত শতাব্দীর তৃতীয় পাদে, ১৯৭২ সালে, যাদবপুর থেকে মেকানিকাল এঞ্জিনিয়ারিং-এ ডিগ্রি করে, বিলেত কিছু বছর কাটিয়ে (এবং নামের সামনে ডক্টরেট-এর আঁকশি লাগিয়ে) দেশে ফেরেন। ১৯৮৯ সাল থেকে টাটা স্টীল-এ, জামশেদপুর-এ। সম্প্রতি (২০১২) অবসর নিয়েছেন। নানান বিষয়ে আগ্রহ, তবে সবচেয়ে বেশি রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনতে।



সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়। শিবপুরে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, বম্বে আই আই টি থেকে এম টেক এবং পরে হোমি ভাবা থেকে পি এইচ ডি। গবেষণার বিষয় সিগ্ন্যাল/ সিস্টেম মডেলিং। ছেলে মেয়ে নিয়ে ব্যস্ত সংসার। লেখালেখি মোটামুটি নিজস্ব তাড়নায়। কেউ ভাল বললে ভাল লাগে, না বল্লেও ক্ষতি নেই। অহংকার, দীপন, অববাহিকা, “কফিহাউস”, “এ মাসের কবিতা” ইত্যাদি নানা পত্রিকায় লেখা প্রকাশিত হয়েছে। অনেকদিন পরে আবার লেখা শুরু করেছেন।



সুবীর বোস পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইটি ডিপার্টমেন্টে চাকরি করেন। দেশ-এ একাধিকবার, এবং কবিসম্মেলন ও বিভিন্ন ওয়েবজিন-এ তাঁর কবিতা ও গল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত বইঃ আঙুলের সংলাপ (সপ্তর্ষি প্রকাশনা), ভাঙা কলমের আন্তরিকে (গল্প; সৃষ্টি)।




সুদীপ্ত বিশ্বাস, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট, রাণাঘাট, নদিয়া। অনেকদিন ধরে কবিতা লিখছেন, বাণিজ্যিক পত্রিকাতে প্রকাশিতও হয়েছে। বই আছে সাতটি।



সূর্যনাথ ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯৬০ সালে মধ্যপ্রদেশের রায়পুরে। কিন্তু বেড়ে ওঠা কলকাতায়। ছোটবেলা থেকে গল্প পড়তে ভাললাগাটা ছিল। তারপর বাংলার বাইরে পঁচিশ বছরের প্রবাসজীবন। পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। যাদবপুরে বিদ্যুৎ প্রযুক্তির শিক্ষা, খড়গপুরে স্নাতকোত্তরণ। নেশা ছিল বই পড়া, সরকারী ঘানিযন্ত্রের পেশায় সব ভুলিয়ে দিয়েছে। বই-পড়া ছাড়া প্রিয় অবসর (যদিও বিশেষ নেই) বিনোদন ইতিহাস আর অঙ্কে। শারদীয়া আনন্দবাজারে একটা ঐতিহাসিক উপন্যাস প্রথম বড় পদক্ষেপ। কিছুটা আকস্মিক ভাবেই। তবে ইতিহাস নিয়ে চর্চার ইচ্ছে আছে। প্রকাশিত বই 'ধ্রুবচন্দ্রিমা' (২০১৯)।



সুশ্রুত চক্রবর্তীর বাড়ি মেদিনীপুর। চিকিৎসাবিজ্ঞানে সদ্য স্নাতক, ছোটবেলা থেকেই ভালবাসেন বই পড়তে। শখের লেখালেখির অভ্যাসে লিখে ফেলেছেন বহু ছোটগল্প, রহস্য রোমাঞ্চ গল্প, কবিতা। কুইজপ্রেমী ও ভোজনরসিক।




স্বর্ভানু সান্যালের জন্ম হাওড়ার রামরাজাতলায়। ছাত্রজীবন কেটেছে খড়গপুর, পুরুলিয়া, হাওড়া ও দূর্গাপুরে। কর্মজীবন শুরু বেসরকারি সংস্থায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে। তারপর চাকরিসূত্রে কখনো মুম্বাই, বেঙ্গালুরু কখনো বা সূর্যোদয়ের দেশ জাপান। গত সাত আট বছর ধরে আমেরিকার শিকাগোয় কর্মরত। পেশাদারি এবং পারিবারিক জীবন বাদ দিলে, তার অনেকটা সময় কাটে সাহিত্যচর্চা করে। সব রকমের লেখা পড়তে ভালোবাসেন। অনুগল্প, রম্যরচনা, কবিতা নিয়মিত লিখে থাকেন। "যযাতির ঝুলি"(http://jojatirjhuli.blogspot.com/search/label/bangla) নামে তার ব্যক্তিগত ব্লগ আছে এবং সেই ব্লগ এর মাধ্যমে তার লেখা নিয়মিত পাঠকদের সাথে ভাগ করে নেন। অন্য শখের মধ্যে আছে বেড়ানো, ফটোগ্রাফি, গান শোনা। ২০১৯ সালে পত্রভারতী প্রকাশনী থেকে মুদ্রিত মাধ্যমে এসেছে স্বর্ভানু সান্যালের প্রথম ছোট গল্প সংস্করণ "যযাতির ঝুলি - এক ডজন গপ্পো"।




স্বপ্না রায় বস্টনে থাকেন।



স্বপ্না মিত্র একজন প্রবাসী বাঙালি। বিজ্ঞানের ছাত্রী। প্রযুক্তি বিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা নিয়ে বেশ কিছুদিন দেশী এবং বহুজাতিক সংস্থায় কর্মজীবন। প্রযুক্তি বিজ্ঞানের পাশাপাশি অনেক সময় তিনি কলম ধরেছেন। কখনও সমাজের বিভিন্ন সম্পর্কের গতিবিধিতে আকৃষ্ট হয়ে, কখনও আবার ফেলে আসা জীবনের স্মৃতিতে। স্বপ্নার রচনাশৈলীতে বারবার ফুটে ওঠে আজকের সমাজের প্রতিফলন। লেখিকার প্রকাশিত ছোট গল্প সংকলনের নাম “একালের গল্প" ও “বিকেল হলেই গল্প" (পরিবেশক – দে’জ পাবলিশিং)



যশোধরা রায়চৌধুরী আজন্ম কলকাতায় - উচ্চমাধ্যমিক লেডি বেবোর্ন-এ, প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে দর্শন-এ প্রথম বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। ইণ্ডিয়ান অডিট অ্যাণ্ড অ্যাকাউন্ট সার্ভিসে সরকারি কাজের সঙ্গে বিরোধহীনভাবে লেখালেখি। প্রথম লেখা প্রকাশিত হয় ১৯৯৩ সালে। প্রকাশিত কবিতার বই: মাতৃভূমি বাম্পার (সপ্তর্ষি, ২০১৫),পণ্যসংহিতা (কবিতা পাক্ষিক, ১৯৯৬), পিশাচিনীকাব্য (কবিতা পাক্ষিক, ১৯৯৮), রেডিওবিতান (প্রমা, ১৯৯৯), চিরন্তন গল্পমালা (কবিকথা, ১৯৯৯), আবার প্রথম থেকে পড়ো (আনন্দ, ২০০১), মেয়েদের প্রজাতন্ত্র (সপ্তর্ষি প্রকাশন, ২০০৫), ভার্চ্যুয়ালের নবীন কিশোর (আনন্দ, ২০১০)। ১৯৯৮ সালে কৃত্তিবাস পুরস্কার। ২০০৬ সালে বাংলা আকাদেমির অনিতা-সুনীলকুমার বসু পুরস্কার। প্রকাশিত অন্যান্য বই, ছোটদের জন্য 'বুঞ্চিল্যাণ্ড'। 'মেয়েদের কিছু একটা হয়েছে' (গল্পসংকলন) এবং অনুবাদ করেছেন 'লিওনার্দো দা ভিঞ্চি'। ২০১৪ সালে বেরিয়েছে সলিটেয়ার নামে গল্প সংকলন। বই পড়া ও লেখালেখি ছাড়া (যেটা আর শখ নেই, কাজ হয়ে গেছে) অন্য শখ রান্নাবান্না, সেলাই-ফোঁড়াই, ফরাসি ভাষা ও অন্যান্য লাতিন ভাষা চর্চা।

(পরবাস-৭৬, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯)